আলাপন সাহা: দীর্ঘ টালবাহানার পরে অবশেষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে জট কাটতে চলেছে। হাইব্রিড মডেলেই আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট, এমনটাই সূত্রের খবর। তার মধ্যেই জানা গেল, ভারত-পাকিস্তান মহারণের দিনক্ষণও পাকা করে ফেলা হয়েছে। টুর্নামেন্টের প্রথম সপ্তাহেই মুখোমুখি হতে চলেছে দুই দল। সব ঠিক থাকলে দুবাইয়ে খেলা হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
সাধারণত কোনও প্রতিযোগিতার অন্তত তিনমাস আগে সূচি ঘোষণা করে দিতে হয়। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সূচি এখনও ঘোষণা করতে পারেনি আইসিসি। কারণ টুর্নামেন্টের আয়োজন ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চূড়ান্ত ডামাডোল চলেছে। বিশেষ বৈঠক ডেকে সমাধানসূত্র খোঁজার চেষ্টা করতে হয়েছে আইসিসিকে। তবে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত নাছোড়বান্দা অবস্থান থেকে সরে এসে হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান।
শোনা গিয়েছে, হাইব্রিড মডেলে ভারতের ম্যাচগুলো হবে দুবাই বা আবু ধাবিতে। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো পাকিস্তানে খেলা হবে। প্রথা অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে গতবারের চ্যাম্পিয়নরাই উদ্বোধনী ম্যাচ খেলে। সেই প্রথা মেনেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে পড়বে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। টুর্নামেন্টের প্রাথমিক সূচি তৈরি হয়ে গেলেও তাতে বেশ কিছু পরিবর্তন করতে হবে। কারণ ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে দলগুলোকে দুবাই যেতে হবে। সেই দলগুলো যেন দুই ম্যাচের মাঝে পর্যাপ্ত সময় পায়, সেদিকে নজর রেখে টুর্নামেন্টের সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
ভারত-পাক মহারণ কবে হতে চলেছে, সেটার সম্ভাব্য দিনক্ষণও জানা গিয়েছে। সাধারণত মেগা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহের রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ রাখা হয়। সম্প্রচারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ক্ষেত্রেও সেই প্রথাই মানা হবে। সম্ভবত ২৩ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। দুবাইয়ে খেলা হতে পারে এই ম্যাচ। তবে এখনও সরকারিভাবে সূচি নিয়ে কিছু জানানো হয়নি আইসিসির তরফে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন