সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে বিদ্রোহীরা প্রবেশ করল সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসে। তাদের ঘোষণা ‘যুগের অবসান’। তার পরই দ্রুত শহর ছাড়লেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। আগেই ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল আলেপ্পো, হোমসের মতো প্রধান শহরগুলো। এর পরই বিদ্রোহীরা অগ্রসর হয় দামাস্কাসের উদ্দেশে। সেখানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চলে বন্দুকধারীদের। এর পরই জানা যায়, সেখান থেকে পালিয়ে বিমানে কোনও অজানা গন্তব্যে চলে গিয়েছেন আসাদ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন দুজন সিনিয়র সেনা অফিসার। এদিকে সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ গাজি আল-জালালি জানিয়েছেন, তাঁদের সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করতে প্রস্তুত।
প্রসঙ্গত, শনিবারই বিদ্রোহীরা জানিয়ে দেয় তারা দামাস্কাস ঘেরাও করার চেষ্টা করছে। কিন্তু পালটা লড়াই জারি রেখেছিল সেনা। ইতিমধ্যেই প্রাণহানি ঘটেছে শতাধিক মানুষের। প্রাণভয়ে সিরিয়া ছেড়ে পালাচ্ছেন নাগরিকরা। বিদ্রোহীদের হামলায় উত্তর সিরিয়ায় ঘরছাড়া প্রায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ। এবার বিদ্রোহীরা দামাস্কাস দখলের পথে এগতেই রাজধানী ছাড়লেন প্রেসিডেন্ট আসাদ।
উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকেই শক্ত হাতে সিরিয়া শাসন করছেন আসাদ। তবে জলঘোলা হতে শুরু করে ২০১১ সালে। আরব বসন্তের হাওয়ায় উত্তাল হয়ে ওঠে মরুপ্রদেশটি। আকাশ বাতাস কেঁপে ওঠে একনায়ক হঠাও, গণতন্ত্র ফেরাও স্লোগানে। শুরু হয়ে যায় গৃহযুদ্ধ। আসাদকে গদিচ্যুত করতে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিদ্রোহীদের যৌথমঞ্চ ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস’ (এসডিএফ)। কুর্দ বাহিনী পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটের (ওয়াইপিজি) নেতৃত্বে আরম্ভ হয় এক অসম যুদ্ধ। শুরুর দিকে লড়াইয়ে আলেপ্পো হাতছাড়া হলেও, ২০১৬ সালে তা পুনরোদ্ধার করে আসাদ বাহিনী। পাশাপাশি, ইরান ও রাশিয়ার মদতে বিদ্রোহীদেরও কোণঠাসা করে দেওয়া হয়। তবে সময়ের সঙ্গে মার্কিন ও পশ্চিমের দেশগুলির মদতে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে জবরদস্ত পালটা মার দিতে শুরু করে বিদ্রোহীরা। সবমিলিয়ে. রাশিয়া, আমেরিকা, ইরানের মতো শক্তিগুলোর আধিপত্য বিস্তারের খেলায় বোড়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিয়া।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন