Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি

২০০৮ থেকে কোমায় আক্রান্ত, নয়াদিল্লির অ্যাপোলোয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৪:২২

options
link
দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে কোমায় থাকার পর অবশেষে সোমবার প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০০৮ থেকেই তিনি কোমায়। হারিয়েছিলেন বাকশক্তিও। এদিন সকালে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বিছানাই তাঁর ঠিকানা হয়ে উঠেছিল। প্রথমে ভর্তি ছিলেন নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে। এর কয়েক বছরে রাজধানীর অ্যাপোলা হাসপাতালে প্রিয়বাবুর চিকিৎসা শুরু হয়। সেখানে শুয়েই নিজের বাহাত্তরতম জন্মদিনটি পার করে তিয়াত্তর বছরে পা দেন একসময়ের কংগ্রেসের ডাকসাইটে নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি। কিন্তু জন্মদিনে পরিবারের একজন সদস্যও এমনকী তাঁর স্ত্রী দীপা দাশমুন্সিকেও একটি বারের জন্য হাসপাতালে দেখা যায়নি। অথচ দীপার অনুরোধেই ২০০৮ সাল থেকে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রিয়। দীর্ঘ নয় বছর ধরে তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করে চলছে কেন্দ্র সরকার। একসময়ে প্রিয়র ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন পি পি সিং৷ দিল্লিতে তিনিই প্রিয়বাবুর যাবতীয় দেখভাল করতেন। মাঝে মধ্যে দীপাদেবী দেখতে যেতেন। দীর্ঘ অসুস্থতা পর্ব কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গিয়েছিলেন তিনি। সাড়া দিচ্ছিল না তাঁর মস্তিষ্ক। প্রিয়বাবুকে স্নান করিয়ে দিতে হত। খাইয়েও দিতে হত। প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে ঘোরানো হত কেবিনঘর। এমনকী সংক্রমণের কারণে বাড়িতেও আনা যেত না।  এত লড়াইয়ের পরও দীপ নিভে গেল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কংগ্রেসের তরফে কেউ কেউ কদাচিৎ ফোনে প্রিয়রঞ্জনবাবু বিষয়ে খোঁজখবর নিলেও দেখতে আসার ব্যাপারে নৈব নৈব চ। অথচ গতবছরও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য যে প্রচার কমিটি তৈরি করা হয়েছিল তাতে কোমায় থাকা প্রিয়বাবুর নাম ছিল। রাজনীতিবিদরা বলছেন, প্রিয়রঞ্জনের হাত ধরেই বাংলার ছাত্র পরিষদ ও যুব কংগ্রেস শাক্তিশালী হয়েছিল। এক সময়ে প্রিয়-সুব্রত জুটি ছিল বাংলার রাজনীতির মাইলস্টোন। সুব্রত মুখোপাধ্যায় অনেক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। রাজনীতির আঙিনা থেকে ক্রীড়া জগৎ বা কেন্দ্রের মন্ত্রিত্ব। সর্বত্রই নিজের ছাপ রেখেছিলেন। প্রিয়রঞ্জনের প্রয়াণে বাংলা রাজনীতিতে একটা বর্ণময় অধ্যায়ের শেষ হল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.