Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Yogi Adityanath

‘মা ক্যান্টিন’-এর ধাঁচে ‘মা কি রসোই’! মহাকুম্ভের আগে ৯ টাকায় ভুরিভোজের ব্যবস্থা যোগীর

বাংলায় ৫ হলেও, উত্তরপ্রদেশে ৯ টাকায় মিলবে ভরপেট দুপুরের খাবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ১৬:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৫, ১৬:০৮

options
link
‘মা ক্যান্টিন’-এর ধাঁচে ‘মা কি রসোই’! মহাকুম্ভের আগে ৯ টাকায় ভুরিভোজের ব্যবস্থা যোগীর zoom

হেমন্ত মৈথিল : দুস্থ মানুষদের মুখে অন্ন তুলে দিতে বাংলায় ‘মা ক্যান্টিন’ চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার রাজ্যের সেই প্রকল্পকে আপন করে নিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ! মহাকুম্ভের প্রাক্কালে এবার বাংলার ধাঁচে উত্তরপ্রদেশে চালু হল ‘মা কি রসোই’। যেখানে ৯ টাকায় মিলবে ভরপেট দুপুরের খাবার।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য চালু করা হয়েছে এই পরিষেবা। প্রয়াগরাজের স্বরূপরানি নেহেরু হাসপাতালের সরকারি উদ্যোগে চালু করা হয়েছে এই ‘মা কী রসোই’ বা মায়ের রান্নাঘর। প্রয়াগরাজ সফরের দ্বিতীয়দিনে এই ক্যান্টিনের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে এই ক্যান্টিন উদ্বোধনের ছবি প্রকাশ করে যোগী আদিত্যনাথ লেখেন, ‘আজ তীর্থরাজ প্রয়াগে নন্দী সেবা সংস্থান দ্বারা পরিচালিত ‘মা কী রসোই’-এর উদ্বোধন করা হল। মা অন্নপূর্ণা সকলকে কৃপা করুন।’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের একাধিক মন্ত্রী ও সরকারি কর্তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য সরকারের এই উদ্যোগ ‘মা কী রসোই’। যা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নন্দী সেবা সংস্থানকে। এই প্রকল্পে মাত্র ৯ টাকায় দুপুরের খাবার খেতে পারবেন যে কেউ। যেখানে থাকবে ডাল, চারটি রুটি, সবজি, ভাত, স্যালাড ও ডেজার্ট। ২ হাজার স্কোয়ারফুট জায়গার উপর তৈরি করা হয়েছে এই ক্যান্টিনটি। যেখানে একসঙ্গে ১৫০ জন মানুষ খেতে পারবেন।

উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের সদ্য এই প্রকল্প চালু হলেও বাংলায় প্রান্তিক মানুষদের কথা মাথায় রেখে বহু আগেই এই প্রকল্প চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তো বটেই জেলায় জেলায় এই খাবার পান সাধারণ মানুষ। যেখানে ভাত, ডালের সঙ্গে কখনও আলু সবজি ও সোয়াবিনের তরকারি পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে থাকে ডিমের ঝোল। এবার বাংলার সেই প্রকল্পই দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.