Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ISRO

আরও কাছাকাছি… মহাকাশে ইসরোর দুই কৃত্রিম উপগ্রহের ‘করমর্দন’ হল না একটুর জন্য

‘স্পেস ডকিং’ করে ইতিহাস গড়তে মুখিয়ে ইসরো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৫, ১১:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৫, ১১:০৬

options
link
আরও কাছাকাছি… মহাকাশে ইসরোর দুই কৃত্রিম উপগ্রহের ‘করমর্দন’ হল না একটুর জন্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাছাকাছি। কিন্তু স্পর্শ নয়। খুব কাছে পৌঁছেও ‘উত্তেজনাপূর্ণ করমর্দন’ করল না দুই কৃত্রিম উপগ্রহ। সরে গেল ফের। শনিবার রাতে ‘স্পেস ডকিং’ পরীক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পেরল ইসরো। জানা গিয়েছে, দুই উপগ্রহ সবথেকে কম, ৩ মিটার দূরত্বে এসেছিল। তারপর তাদের ফের পরস্পরের থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ মিটার থেকে ৩ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত কাছাকাছি আনার পরে ফের দুই উপগ্রহকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তথ্য বিশ্লেষণ করে ঠিক করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে। যদিও মূল লক্ষ্যই হল ডকিং। কিন্তু কী এই ‘স্পেস ডকিং’? এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া। মহাকাশে দুই উপগ্রহকে একই বিন্দুতে অবস্থান করানোর নামই ‘স্পেস ডকিং’। ইসরোর লক্ষ্য স্পেডেক্স ১ ও স্পেডেক্স ২, এই দুই কৃত্রিম উপগ্রহকে একত্রিত করা। গত ৩০ ডিসেম্বর সেই দুই উপগ্রহকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এদের মধ্যে স্পেডেক্স ১ হল চেজার। স্পেডেক্স ২ টার্গেট।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন এমন পরিকল্পনা? কী হবে এই ‘স্পেস ডকিং’-এর মাধ্যমে? আসলে ইসরোর লক্ষ্য স্পেস স্টেশন স্থাপন করা। সেই ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’ স্থাপনের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ আকার ধারণ করবে। সাহায্য করবে চন্দ্রযান ৪ অভিযানের ক্ষেত্রেও। ‘স্পেস ডকিং’ তথা মহাকাশে এই ‘করমর্দন’ করতে পারলে ভারত হবে চতুর্থ দেশ।

ইসরো জানিয়েছে, যখন দুই উপগ্রহের সমস্ত সেন্সরের মধ্যে সংযোগ যদি সন্তোষজনক হয় তখনই তাদের একত্রিত করা হবে। সমস্ত অ্যালগরিদমও খতিয়ে দেখা হবে। আপাতত সেই মাহেন্দ্রক্ষণেরই অপেক্ষায় ইসরো। ডকিং সম্পূর্ণ হলে দুই কৃত্রিম উপগ্রহকে একটি ‘সিঙ্গল’ মহাকাশযান হিসেবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ইলেকট্রিক্যাল শক্তি একটি থেকে অন্যটিতে স্থানান্তরিতও করা হবে। এরপর তাদের ফের বিচ্ছিন্ন করা হবে। এবং তারা আলাদা আলাদা ভাবে কর্মক্ষম থাকবে। যদি এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায় তাহলেই বলা যাবে ডকিং পরীক্ষা পুরোপুরি সফল হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.