Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Tiger

বাঁকুড়ার লোকালয় লাগোয়া জঙ্গলে মিলল বাঘের পায়ের ছাপ! আতঙ্কে ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের

যে কোনও সময় বাঘটি প্রবেশ করতে পারে ঝাড়গ্রাম অথবা পুরুলিয়ায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১৬:০৩

options
link
বাঁকুড়ার লোকালয় লাগোয়া জঙ্গলে মিলল বাঘের পায়ের ছাপ! আতঙ্কে ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের zoom

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: ফের বাঘের আতঙ্ক বাঁকুড়ায়। রবিবার হলুদকানালীর চুড়াপাথরের রানিবাঁধ ব্লকে দেখা গেল পায়ের ছাপ। এলাকার এক বাসিন্দার দাবি, বাঘকে চাক্ষুস করেছেন তিনি। ভয়ে বাইক ঘুরিয়ে রওনা দিয়েছেন উলটোদিকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছন বনদপ্তরের আধিকারিকরা। খোঁজ চলছে দক্ষিণরায়ের।

গত শুক্রবার সাতসকালে বাঁকুড়া দক্ষিণ বন বিভাগের ফুলকুসমা বনাঞ্চলে মিলেছিল বাঘের পায়ের ছাপ। অনুমান ছিল, ঘাটশিলা বনাঞ্চল থেকে জিনাতের প্রেমিক প্রবেশ করে থাকতে পারে দক্ষিণ বাঁকুড়ায়। তবে সেক্ষেত্রে তাকে হাঁটতে হয়েছে ১৫ থেকে ১৬ কিলোমিটার। তার ২ দিন পর ফের মিলল বাঘের পায়ের ছাপ। এলাকার বাসিন্দা এক যুবকের দাবি, দক্ষিণরায়ের সামনে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কোনওরকমে প্রাণ হাতে নিয়ে রানিবাঁধ ফিরেছেন। যুবকের মুখ থেকেই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে গ্রামে। বনদপ্তরের আধিকারিকরা এলাকায় গিয়ে দেখেন, অসংখ্য পায়ের ছাপ। তারা নিশ্চিত এগুলো বাঘের পায়েরই চিহ্ন। দক্ষিণরায়ের খোঁজে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তল্লাশি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই জঙ্গলের একদিকে ঝাড়গ্রামের কাঁকড়াঝোড় ও বেলপাহাড়ি, অন্যদিকে পুরুলিয়ার কুইলাপোল। বনদপ্তরের অনুমান, যে কোনওসময় হলুদ ডোরাকাটা প্রবেশ করতে পারে ঝাড়গ্রাম অথবা পুরুলিয়ায়। বাঁকুড়ায় দাপিয়ে বেড়ানো এই বাঘটিই জিনাতের প্রেমিক নয় তো? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.