Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Waqf Bill

সংশোধনের পর জেপিসিতে গৃহীত ওয়াকফ বিল, ‘অসাংবিধানিক’, তোপ বিরোধীদের

বিরোধীদের আনা ৪৪টি সংশোধনীর প্রত্যেকটিই খারিজ হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৬:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৬:৫৮

options
link
সংশোধনের পর জেপিসিতে গৃহীত ওয়াকফ বিল, ‘অসাংবিধানিক’, তোপ বিরোধীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারিভাবে সংশোধিত ওয়াকফ বিল গৃহীত হল যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। গত সোমবার ১৪টি সংশোধনী-সহ ওয়াকফ বিল কমিটিতে পাশ হয়। সেই সংশোধনীগুলি নিয়ে বুধবার ভোটাভুটি হয়। সেখানে ১৫টি ভোট পড়েছে সংশোধিত বিলের পক্ষে। বিলের বিপক্ষে পড়েছে ১১টি ভোট। যদিও এই বিলকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা।

গত বছর আগস্ট মাসে পেশ হয় ওয়াকফ বিল। এই নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদের দাবি মেনে যৌথ সংসদীয় কমিটি গড়েছিল সরকার। প্রাথমিকভাবে ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম সপ্তাহেই। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রিপোর্ট দিতে না পারায় কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। বাজেট অধিবেশনের শেষ দিন পর্যন্ত কমিটিকে সময় দেওয়া হয়। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ১৪টি সংশোধনী-সহ ওয়াকফ বিলকে সবুজ সংকেত দেয় কমিটি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, কমিটি গঠনের পর ওয়াকফ বিল নিয়ে ৩৮টি বৈঠক হয়েছে। গত শুক্র এবং শনিবার ছিল শেষ দফার বৈঠক। সেখানে শাসক-বিরোধী তরজা তুঙ্গে ওঠে। শেষ পর্যন্ত কমিটির চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পাল জানান, বিজেপির পক্ষ থেকে ২৩টি সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছিল। তার মধ্যে ১৪টি গৃহীত হয়েছে। কিন্তু বিরোধীদের আনা ৪৪টি সংশোধনীর প্রত্যেকটিই খারিজ হয়েছে। বিরোধীরা যা প্রস্তাব করেছেন তার পক্ষে মাত্র ১০টি করে ভোট পড়েছে।

১৪টি সংশোধনী নিয়ে বুধবার ফের ভোটাভুটি হয়েছে কমিটিতে। তারপরেই সরকারিভাবে গৃহীত হল বিতর্কিত ওয়াকফ বিল। সংশোধনীর পক্ষে ফল ১৫-১১। জগদম্বিকা জানান, বিরোধীরা যেসমস্ত ক্ষেত্রে আপত্তি তুলেছিলেন সেগুলিও সংশোধনের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিল কার্যকর হলে ওয়াকফ বোর্ডের কার্যপদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আসবে। যদিও বিরোধীদের মতে, সংশোধিত হলেও এই বিল অসাংবিধানিক। কারণ মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যাপারে সরকারি হস্তক্ষেপ বাড়তে পারে এই বিলের মাধ্যমে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.