Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Shatrughan Sinha

‘খাদ্যাভ্যাসের ভিত্তিতে ভেদাভেদ অনুচিত’, আমিষ বিতর্কের পরই ভোলবদল শত্রুঘ্নর

আসানসোলের তৃণমূল সাংসদের দাবি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ০০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ০০:১৩

options
link
‘খাদ্যাভ্যাসের ভিত্তিতে ভেদাভেদ অনুচিত’, আমিষ বিতর্কের পরই ভোলবদল শত্রুঘ্নর zoom

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: দলের তরফ থেকে কড়া বার্তা যেতেই নিজের বক্তব্য থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খাদ্যাভ্যাসের ভিত্তিতে ভেদাভেদ উচিত নয় বলেই দাবি করেছেন তিনি।

শত্রুঘ্ন বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, “আমার দল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিজেপির ইউসিসির পরিকল্পনা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বিজেপির রাজনীতি এবং মতাদর্শ সবসময়ই ভেদাভেদ এবং মেরুকরণের উপর নির্ভরশীল। তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস সমস্ত বিষয়ে মতামত শুনলেও, কখনই মানুষের খাদ্যাভ্যাস, ধর্মাচরণ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারী কোন আইনকে সমর্থন করে না।” দেশের ঐক্য বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের মতো দেশে বিভেদ এবং ঘৃণা উদ্রেককারী ধ্যানধারণার কোনও সারবত্তা নেই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সংসদের বাইরে শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত গোমাংস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমি মনে করি, শুধুমাত্র গোমাংস নয়, দেশে সম্পূর্ণভাবে আমিষ খাবার নিষিদ্ধ করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, এরপরেও উত্তর-পূর্ব ভারত-সহ দেশের কিছু অংশে গোমাংস খাওয়া এখনও বৈধ। এরপরই তাঁর খোঁচা, “ওঁহা খাও তো ইয়ামি, ইয়াহা খাও তো মাম্মি। এ তো হতে পারে না।” অর্থাৎ উত্তর-পূর্বে গোমাংস খেলে কোনও সমস্যা হয় না। কিন্তু উত্তর ভারতে খেলে সমস্যা হবে। এটা চলতে পারে না। সর্বত্র একই আইনকানুন থাকা উচিত। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রসঙ্গ উঠে আসে। ‘বিহারীবাবু’র কথায়, “দেশে অভিন্ন দেওয়ানিবিধি তো চালু হওয়া উচিত। পুরো দেশ সেটা মানবে। তবে আইনে অনেক বিষয়ে নজর দিতে হয়। একদিন মনে হল, আর ভোটকে পাখির চোখ করে বলে দিলেন, আজ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হল, এটা হতে পারে না। কার্যকর করার আগে সর্বদল বৈঠক ডাকা উচিৎ। সকলের কথা শোনা দরকার।” স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল সাংসদের এহেন মন্তব্যে বিতর্ক দানা বাঁধে।

কারণ, বর্তমানে তিনি যে দলের সাংসদ, সেই তৃণমূল বরাবরই বলে এসেছে, যার যা ইচ্ছে খাবে, যার ইচ্ছে পরবে। এ বিষয়ে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। বিজেপির ‘গোমাংস নিষিদ্ধ’ রাজনীতির বিরোধিতা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এমনকী, ‘এক দেশ, এক আইন’ বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিরোধিতা করেছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। অথচ সেই দলের সাংসদই আমিষ নিষিদ্ধ করার পক্ষে সওয়াল করছেন। এমনকী, অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে সমর্থন করছেন। যদিও পুরোটাই তাঁর ব্যক্তিগত মত বলে দাবি করেন বাংলার ‘বিহারীবাবু’। তবে তার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই ভোলবদল শত্রুঘ্নর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.