Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Alipurduar

রান্নার গ‌্যাস দুর্মূল‌্য, পোড়া মোবিলের স্টোভ আবিষ্কারে তাক লাগালেন আলিপুরদুয়ারের শুভঙ্কর

দুবেলা চারজনের সংসারে এক লিটার পোড়া মোবিলে ১২ দিন রান্না হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ১৩:২৭

options
link
রান্নার গ‌্যাস দুর্মূল‌্য, পোড়া মোবিলের স্টোভ আবিষ্কারে তাক লাগালেন আলিপুরদুয়ারের শুভঙ্কর zoom
নতুন স্টোভ নিয়ে ব্যস্ত পরিবারের সদস্যরা। নিজস্ব চিত্র

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: রান্নার গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া। কেরোসিন প্রায় দুষ্প্রাপ্য। এই অবস্থায় প্রতিদিন নিজের মাকে কাঠ পুড়িয়ে উনুনে রান্না করতে দেখতেন শুভঙ্কর পণ্ডিত। উনুনের ধোঁয়ায় কষ্ট হয় মায়ের। মায়ের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে গিয়ে জংশন শীতলা কলোনির এই যুবক অত্যাধুনিক একটি লোহার স্টোভ বানিয়ে ফেলেছেন। ফেলে দেওয়া পোড়া মোবিলে জ্বলে ওঠে এই স্টোভ। দু’বেলা চারজনের সংসারে এক লিটার পোড়া মোবিলে ১২ দিন রান্না হবে।

এমনই জানিয়েছেন, শুভঙ্কর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। অভিনব এই স্টোভের কথা জানতে পেরেছেন এলাকার বাসিন্দারা। সরকারের কাছে বাজারজাত করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় নেচার ক্লাবের সম্পাদক ত্রিদিবেশ তালুকদার। শুভঙ্কর বলেন, “পোড়া মোবিল এক ধরনের হাইড্রো কার্বন। এই পদার্থ মাটিতে মিশলে পরিবেশের ক্ষতি করে। ফেলে দেওয়া এই পোড়া মোবিল জ্বলবে এমন স্টোভ পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী।” শুভঙ্কর আরও বলেন, “পোড়া মোবিলের বাজারে দাম লিটার প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। এক লিটার পোড়া মোবিলে ১২ দিনের রান্না হলে তা সাশ্রয়করও বটে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, সাধারণ স্টোভের মতোই দেখতে শুভঙ্করের তৈরি এই জিনিস। লোহা দিয়ে সেটি তৈরি হয়েছে। সেটির একদিকে একটি মোবিল চেম্বার রয়েছে। সেই চেম্বারে পোড়া মোবিল ঢেলে দেওয়া হয়। সেই চেম্বার থেকে ফোঁটা ফোঁটা পোড়া মোবিল লোহার পাইপে বার্নারে পৌঁছয়। বার্নারে থাকা ব্লোয়ারের সাহায্যে পোড়া মোবিলকে স্প্রের মতো ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আগুনের সংস্পর্শে এলে নীল শিখা জ্বলতে থাকে বার্নারে।

শুভঙ্কর পণ্ডিত আরও বলেন, “এই স্টোভ তৈরি করতে দুই হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। কেউ আর্থিকভাবে সাহায্য করলে এই স্টোভকে আরও উন্নত করে বাজারজাত করতে চাই।” ৩০ বছরের যুবক শুভঙ্কর অসুস্থতার কারণে বিএ পরীক্ষায় বসতে পারেননি। তারপর আর পড়াশোনাও করেননি। বাড়িতে ছোট্ট একটি মুদির দোকান চালিয়ে সংসার চালান। তাঁর এই আবিষ্কার প্রশংসা পাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

শুভঙ্করের মা লক্ষ্মী পণ্ডিত বলেন, “বাড়িতে ছেলের তৈরি স্টোভে পোড়া মোবিলে রান্না করেছি। রান্নাতে পোড়া মোবিলের কোনও গন্ধও থাকে না। পরিবারের আর্থিক সাশ্রয় হচ্ছে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.