Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

প্রিন্সিপালের প্রশ্রয়ে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত, স্কুল বন্ধের হুঁশিয়ারি

বিচারের আশায় সাত সকালে স্কুলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৪২

options
link
প্রিন্সিপালের প্রশ্রয়ে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত,  স্কুল বন্ধের হুঁশিয়ারি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্যাতিতার উপর পাশবিক অত্যাচার, তার চোখের জল ব্যর্থ হতে দেবে না পরিবার। এই তাগিদে সাত সকালে জি ডি বিড়লা স্কুলে হাজির একরত্তি শিশুর বাবা। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন লড়াই চলবে। তাঁর সাফ কথা, প্রিন্সিপালের প্রশ্রয়ে অপরাধীদের এই বাড়বাড়ন্ত।

[জি ডি বিড়লায় অভিভাবকদের ম্যারাথন বিক্ষোভ, ঘেরাও প্রিন্সিপাল-সহ শিক্ষকরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার সারা দিনের পর রাতেও উত্তাল ছিল রানিকুঠির জি ডি বিড়লা স্কুল চত্বর। শনিবার সকাল থেকে একই পরিস্থিতি। মেয়ের বিচারের আশায় সাত সকালে স্কুলে চলে যান বাবা। তাঁর সঙ্গে একজোট হয়ে প্রতিবাদে শামিল হন অন্যান্য অভিভাবকরা। এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদের মধ্যে নির্যাতিতার বাবা ঘটনার জন্য স্কুলের প্রিন্সিপালকে দুষেছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘অপরাধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন প্রিন্সিপাল। তিন বছর আগেও একইরকম ঘটনা ঘটেছিল। অপরাধীরা বুঝে যায় এমন কাজ করলে শাস্তি হবে না।’’ পাশাপাশি তাঁর সংযোজন, ‘‘প্রিন্সিপাল মিথ্যা কথা বলছেন। অনেক কিছু তথ্য গোপন করেছেন। তাঁর পদত্যাগ চাই।’’ বিচারের দাবিতে প্রয়োজন হাই কোর্ট এমনকী সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভেবে ফেলেছে ওই পরিবার। তিনি আরও জানান, ‘‘এ শুধু আমার মেয়ের বিচার নয়। সব মেয়ের জন্য বিচার চাইছি। ভবিষ্যতে যাতে অন্য কোনও অভিভাবকের এভাবে চোখের জল না পড়ে তার জন্য যত দূর যাওয়ার যাব।’’ এই স্কুল কীভাবে বন্ধ করা যায় তার চেষ্টাও করা হবে বলে জানান নির্যাতিতার বাবা। লাগাতার বিক্ষোভের জেরে এদিন স্কুল চত্বরে তড়িঘড়ি বেশ কিছু সিসিটিভি বসানো হয়। তাতে অবশ্য ক্ষোভের আঁচ এতটুকু কমেনি।

[‘দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে মেয়েকে নামী স্কুলে ভরতির এই পরিণাম?’]

প্রশাসন ঘটনার কতটা গুরুত্ব দিয়েছেন শনিবার তা আরও একবার টের মেলে। এদিন সকাল পৌনে আটটায় চারজন আইপিএস অফিসার যাদবপুর থানায় পৌঁছে যান। সেই দলে রয়েছেন যুগ্ম কমিশনার ক্রাইম বিশাল গর্গ, রূপেশ কুমার, আনন্দ রায়রা। ধৃত ২ শিক্ষককে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্রের খবর শিশুর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। এই আইনে দোষী প্রমাণিত কমপক্ষে সাত বছর জেল হবে। অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এই আইনে সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনা কেউ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ২০১ অর্থাৎ তথ্য লোপাটের ধারা প্রয়োগ হতে পারে। স্কুলের অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে ছাত্রীর পরিবার আঙুল তুলেছেন। এই ধারায় তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.