Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
South Korea

দাবানলে দাউদাউ জ্বলছে দক্ষিণ কোরিয়া, আগুনের গ্রাসে বিঘার পর বিঘা জমি, ঘরছাড়া হাজার হাজার

ক্রমশই ছড়াচ্ছে আগুন। ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে ৪ জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৫, ১৭:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৫, ১৭:৫০

options
link
দাবানলে দাউদাউ জ্বলছে দক্ষিণ কোরিয়া, আগুনের গ্রাসে বিঘার পর বিঘা জমি, ঘরছাড়া হাজার হাজার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দাবানলে পুড়েছে লস অ্যাঞ্জেলস। লেলিহান শিখা গ্রাস করেছিল হাজার হাজার বাড়ি। বড় বড় হলিউড স্টার থেকে সাধারণ মানুষ, প্রকৃতির রুদ্ররোষ থেকে বাদ যাননি কেউই। এবার সেই ভয়াবহ ছবি এবার দক্ষিণ কোরিয়ায়। দাবানলে পুড়ছে দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ক্রমশই ছড়াচ্ছে আগুন। ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে ৪ জন। হাজার হাজার বাসিন্দাকে সরানো হচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ে। 

জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার রাজধানী সিওল থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত গিয়ংসাং প্রদেশের সানচেং-এ প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। সেই থেকেই লেলিহান শিখায় পুড়ছে বিস্তীর্ণ অঞ্চল। সিএনএন সূত্রে খবর, আগুন নেভাতে গিয়ে চার দমকল কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪৬৪ হেক্টরেরও বেশি জমি পুড়ে যায় বলে জানায় স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়। এরপর শনিবার উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের ইউইসিয়ং, উলসান শহরের উলজু এলাকা, এবং দক্ষিণ গিয়ংসাংয়ের গিমহেতেও দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। যা গতকাল সোমবারেও নিয়ন্ত্রণ আনা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শনিবার সরকার উলসান শহর, দক্ষিণ এবং উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। সেদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ছই সাং-মোক বন দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন, বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে ও দমকলকর্মী আর উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য যা যা সম্ভব তা যেন করা হয়। শেষ পাওয়া খবর মোতাবেক, এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৬১ হেক্টর জমি পুড়ে গিয়েছে। কখনও শুষ্ক আবহাওয়া আবার কখনও হাওয়ার দাপটে আগুন নেভাতে বেশ বেগ হতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। পরিবেশবিদরা বলছেন, এহেন দাবানল দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে এই ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসে আবহাওয়া শুষ্ক থাকার কারণে জঙ্গলে দাবানলের সূত্রপাত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.