Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Shankaracharya

‘চৌকিদার’কে ছাড় কেন? পহেলগাঁও হামলায় মোদিকে কাঠগড়ায় তুললেন শঙ্করাচার্য

সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি বাতিল নিয়ে মোদি সরকারের সমালোচনায় সরব শঙ্করাচার্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৫, ১২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৫, ১২:৪২

options
link
‘চৌকিদার’কে ছাড় কেন? পহেলগাঁও হামলায় মোদিকে কাঠগড়ায় তুললেন শঙ্করাচার্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় তুললেন উত্তরাখণ্ডের জ্যোতির্মঠের বর্তমান আধ্যাত্মিক প্রধান শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। কেন্দ্রের বর্তমান সরকারের আমলে নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ঠিক যেমন একজন নিরাপত্তারক্ষী (চৌকিদার) কারও সম্পত্তিতে কিছু ঘটলে প্রথমে দায়ী হবেন, ঠিক তেমনই জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ত্রুটি ঘটলে একই রকম জবাবদিহি করা উচিত।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ভারতীয় নাগরিকদের ‘চৌকিদার’ বলে বর্ণনা করেন। তাই নাম না করে শঙ্করাচার্য তাঁকেই কটাক্ষ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পহেলগাঁও হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ভারতের মাটিতে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার কথা উল্লেখ করে শঙ্করাচার্য প্রশ্ন তোলেন যে, কেন সরকারের ভূমিকা, বিশেষ করে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। তিনি হতাশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের ঘটনা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে না। স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ উপমা দিয় বলেন, “যদি কারও নিজের বাড়িতে কিছু ঘটে, তাহলে প্রথমেই দায়ী হবেন চৌকিদার।” একইভাবে, জাতীয় নিরাপত্তার ত্রুটির জন্য সরকারকে দায়ী করা উচিত।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর পাশাপাশি, সিন্ধু নদীর জল সমস্যা নিয়েও মোদি সরকারের সমালোচনা করেছেন তিনি। স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দের মতে, পাকিস্তানে জল প্রবাহ বন্ধ করতে সক্ষম একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে ভারতের কমপক্ষে ২০ বছর সময় লাগবে। এর থেকেই স্পষ্ট, সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় জনগণের আস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগ এনেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সিন্ধু নদীর জলের সমস্যাটি অমীমাংসিত রয়ে গিয়েছে এবং কার্যকরভাবে এটি মোকাবিলায় সরকারের অক্ষমতা তার অগ্রাধিকার সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার অবকাশ করে দিয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারের কাছ থেকে বৃহত্তর দায়িত্বশীলতা, ভারতের স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নেতাদের দৃঢ় পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন শঙ্করাচার্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.