সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএলের শুরু থেকে টানা ৪টি ম্যাচ অপরাজিত ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। তারপর আচমকাই যেন খেই হারিয়েছে অক্ষর প্যাটেলের দলের। শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে তিনটি হেরেছে। শীর্ষস্থান থেকে নেমে এসেছে চতুর্থ স্থানে। তবে দিল্লি যতগুলো ম্যাচ হেরেছে, নাইটদের জয়ের সংখ্যাও ঠিক ততগুলোই। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি জিতলে প্লে অফের লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে যাবে। আর কেকেআর জয় পেলে লড়াইয়ে টিকে থাকবে।
লিগ পর্যায়ের অর্ধেকের বেশি সমাপ্ত। দু’দলই ৯টি করে ম্যাচ খেলেছে। দিল্লির পয়েন্ট ১২। ৭ পয়েন্ট নিয়ে কেকেআর আছে সপ্তম স্থানে। ইডেনে বৃষ্টির জন্য পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচ বাতিল হওয়ায় ১ পয়েন্ট জুটেছে। ম্যাচ জিতলে হয়তো প্লে অফের রাস্তায় কিছুটা এগিয়ে থাকা যেত। কিন্তু এক পয়েন্ট নিয়েও ‘খুশি’ রাহানেরা। বরং অনেকে বলছেন, বৃষ্টির জন্য পাঞ্জাবই পয়েন্ট হারিয়েছে। দিল্লিতে অবশ্য বৃষ্টির ভয় নেই। আসল ‘ভয়’ তো কেকেআরের পারফরম্যান্স নিয়েই।
এখনও সঠিক টিম কম্বিনেশন খুঁজে পাননি রাহানেরা। মইন আলিকে নিয়ে কী করবে পরিষ্কার নয়। তিনি যদিও বলেছিলেন, নাইটরা মুম্বইয়ের মতো কামব্যাক করতে পারবে। পাঞ্জাব ম্যাচে হয়নি। দিল্লি ম্যাচে কী হবে? নাইট শিবিরকে ভরসা জোগাতে পারে একমাত্র পরিসংখ্যানই। দু’দলের মুখোমুখি লড়াই হয়েছে ৩৪বার। সেখানে নাইটরা জিতেছে ১৮টি ম্যাচ। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ও ক্যাপিটালস মিলিয়ে জিতেছে ১৫টি ম্যাচ। অমীমাংসিত একটি ম্যাচ।
অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের লড়াইয়েও এগিয়ে কেকেআর। দশটি ম্যাচের মধ্যে নাইটদের জয় ৫টি। হেরেছে চারটি। অমীমাংসিত ম্যাচটি এখানেই হয়েছিল। দুদলের শেষ লড়াইয়েও কিন্তু নাইটরাই জিতেছিল। ২৯ এপ্রিল ২০২৪-র সেই ম্যাচে ৭ উইকেটে জয়ী হয়েছিল কেকেআর। ৩৯ বলে ৮৫ রান করেছিলেন নারিন। তবে শেষ পাঁচ ম্যাচের হিসেবে কিন্তু নাইটরা পিছিয়ে। সেখানে তিনটি জিতেছে দিল্লি। দুটি কেকেআর। এদিনের ম্যাচে কী হবে? জিতে কি নাইটরা প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারবে? উত্তরটা আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন