সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র চারমাস আগে চালু করা দু’টি পরিষেবা বন্ধ করে দিল জোম্যাটো। অর্থাৎ বাড়ি বসে হাতের কাছে যে কোনও খাবার পেতে এবার আরও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। অনলাইন খাবার ডেলিভারি সংস্থা জানিয়েছে, ১ মে থেকে তারা জোম্যাটো কুইক এবং জোম্যাটো এভরি ডে পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।
চারমাস আগেই কুইক পরিষেবা চালু করেছিল জোম্যাটো। এই পরিষেবায় মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের বাড়িতে অর্ডার করা খাবার পৌঁছে দিত তারা। কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বেশ কয়েকটি বড় বড় শহরে এই পরিষেবা শুরু করেছিল জোম্যাটো। প্রথমদিকে বেশ সাড়াও ফেলেছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে তা নিস্তেজ হয়ে যায়।
কিন্তু হঠাৎ কেন বন্ধ করে দেওয়া হল এই দুই পরিষেবা? সংস্থার সিইও আকসান্ত গোয়েল বলেন, “বর্তমানে আমরা এই দুই পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই মুহূর্তে আমাদের হোটেল বা রেস্তরাঁগুলির এমন পরিকাঠামো নেই যেখানে ১০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের কাছে খাবর পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তাছাড়া গ্রাহকদের কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে, এভরি ডে পরিষেবার মাধ্যমে গৃহস্থ বাড়িতে থাকা ক্লাউড কিচেন থেকে গ্রাহকদের কাছে সরাসরি খাবার পৌঁছে দিত জ্যোমাটো। সেই পরিষেবাও বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এ প্রসঙ্গে সংস্থার সিইও বলেন, “বাড়ি বাড়ি তৈরি করা খাবার আমাদের প্রতিনিধিরা যত্ন সহকারে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতেন। কিন্তু গ্রাহকরা সন্তুষ্ট না হওয়ায় এই পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হল।”
২০০৮ সালে জোম্যাটোর ফুড ডেলিভারি পরিষেবা শুরু হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি বড় শহরে। তারপর থেকে এই সংস্থা দেশের প্রতিটি ছোট-বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ে। এক ক্লিকেই খাবার ডেলিভারি করে বাড়ি বসে তা হাতে পাওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে এই অ্যাপ বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপরই ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে জোম্যাটো আরও তাড়াতাড়ি গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে কুইক পরিষেবা শুরু করেছিল। অতএব এবার থেকে ফের খাবার অর্ডার করে বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করার দিন শুরু হতে চলেছে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন