Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Bharti Singh

ভারত-পাক অশান্তির মাঝে থাইল্যান্ড সফর কেন? কটাক্ষের চাপে নীরবতা ভাঙলেন ভারতী সিং

কমেডিয়ানের দিকে সোশাল মিডিয়ায় ধেয়ে আসে কটাক্ষের ঝড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৫, ১৫:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৫, ১৫:১১

options
link
ভারত-পাক অশান্তির মাঝে থাইল্যান্ড সফর কেন? কটাক্ষের চাপে নীরবতা ভাঙলেন ভারতী সিং zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁওতে ধর্ম বেছে জঙ্গিরা হামলা চালায়। প্রাণ হারান ২৬ জন। নৃশংস হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন বি-টাউনের প্রায় সকলেই। নৃশংস এই ঘটনার কথা ভেবে রাতে ঘুমোতে পারছেন না বলেই দাবি করেছিলেন ভারতী সিং। জঙ্গি হামলার পালটা অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারতীয় সেনা। তবে তারই মাঝে থাইল্যান্ডে ভারতী সিং। দেশের অশান্ত পরিস্থিতিতে থাইল্যান্ডে কেন? এই প্রশ্ন তুলে যেন রে রে করে ভারতীর দিকে তেড়ে যান নেটিজেনদের একাংশ। কমেডিয়ানের দিকে সোশাল মিডিয়ায় ধেয়ে আসে কটাক্ষের ঝড়। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ভারতী। ভ্লগে সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি।

ভারতী বলেন, “আমার শহর, দেশে অশান্তির আবহ। কিন্তু আমার পরিবার নিরাপদেই রয়েছে। আমার সরকার এবং দেশের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ভারত খুবই শক্তিশালী দেশ। কেউ তার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। যখন আমি আপনাদের মন্তব্য পড়ি, আমি রেগে যাই না। আমার মনে হয় আপনারা খুবই নিরীহ।” ভারতীর দাবি, তিনি থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে যাননি। কর্মসূত্রে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “থাইল্যান্ডে ১০ দিনের শুটিং ছিল। যা কমপক্ষে ৩-৪ মাস আগে স্থির হয়েছিল। আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে শুটিং বাতিল পেশাদারিত্বের প্রমাণ নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঠিক কোন কোন বাক্যবাণ তাঁর দিকে ধেয়ে এসেছে, সেকথা ভেবে ভ্লগের একেবারে শেষে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ভারতী। বলেন, “আমি নানা কঠিন কথা শুনে ভেঙে পড়েছিলাম। কান্নাকাটিও করেছি। কারণ, আপনারা আমাদের পরিবার। তাই আমি আপনাদের মন্তব্যকে অবজ্ঞা করতে পারি না। কিন্তু আরও একবার বলতে চাই, আমি আমার দেশ এবং সরকারের প্রতি বিশ্বাস করি। আর আমার পরিবার সব পরিস্থিতিতে আমার পাশে আছে। যেকোনও কঠিন পরিস্থিতিতে ওঁরা আমাকে আমার কাজে উৎসাহ দেয়।” ভ্লগের একেবারে শেষে যদিও হাসিমুখেই দেখা যায় ভারতীকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.