গোবিন্দ রায়: ২০১৬ সালের এসএসসির প্যানেলের চাকরিহারা গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনজীবীদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মেনে টেন্টেড’দের মাসিক ভাতা দিচ্ছে রাজ্যে। বিচারপতি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আদালত সূত্রে খবর আগামীকাল বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি মাসের ১৪ তারিখ নবান্ন সভাগৃহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, চাকরিহারানো গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীরা যথাক্রমে ২৫ ও ২০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন। যতদিন না পর্যন্ত আদালতের পরবর্তী রায় আসছে, ততদিন তাঁরা এই ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লেবার ডিপার্টমেন্টের অধীনে একটি প্রকল্প তৈরি করে এসএসসি ২০১৬ প্যানেলে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই ভাতা দেওয়ার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা দায়ের হল। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই আন্দোলনরত শিক্ষকদের একাংশ অভিযোগ তোলে রাজ্য অযোগ্য গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের টাকা দিচ্ছে। এই আবহের মধ্যেই বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা রাজ্য সরকারের ভাতা দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল।
উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এসএসির ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল হয়েছে। চাকরিহারা হন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরা। পরে রায়ের কয়েকটি দিক পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা হলে আদালত ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তাঁরা বেতনও পাচ্ছেন। কিন্তু ‘যোগ্য’ অশিক্ষক কর্মী অর্থাৎ গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই রকম কিছু বলা হয়নি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে চাকরিহারা অশিক্ষককর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা হল।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন