Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Airspace ban

সংঘাত আবহে ভারতের আকাশে পাক বিমানের ‘নো এন্ট্রি’, আরও বাড়ল নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ

দেশের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়েই এই পদক্ষেপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ২০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ২০:২১

options
link
সংঘাত আবহে ভারতের আকাশে পাক বিমানের ‘নো এন্ট্রি’, আরও বাড়ল নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের জন্য ভারতের আকাশসীমা বন্ধের মেয়াদ আরও বাড়াল কেন্দ্র। শুক্রবার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না পাকিস্তানের কোনও যাত্রীবাহী বা সামরিক বিমান। দুই দেশের সামরিক উত্তেজনা আপাতত থিতু হলেও পাকিস্তানের তরফে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল, তার পালটা এবার পদক্ষেপ করল ভারত।

দুই দেশের আকাশসীমায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত পহেলগাঁও হামলাকে কেন্দ্র করে। পহেলগাঁওয়ে হামলার পর ২৩ এপ্রিল ভারতের জন্য পাক আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পালটা পদক্ষেপ করে ভারতও। এরপর দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও সংঘর্ষবিরতি ঘটলেও আকাশসীমায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়নি। শুক্রবার ফের এক মাসের জন্য ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে পাকিস্তান। এর পালটা কেন্দ্রের তরফে ‘NOTAM’ জারি করা হল ভারতের তরফে। যেখানে পাকিস্তানের যাত্রীবাহী ও সামরিক বিমানতো বটেই পাকিস্তান ভাড়া নিয়েছে এমন বিমান ও অপারেটরদের জন্যও লাগু থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। দেশের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়েই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, আকাশসীমায় নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে গত বুধবার সামনে আসে পাকিস্তানের ঘৃণ্য মানসিকতা। ওই দিন শ্রীনগরগামী ইন্ডিগোর একটি বিমান প্রবল ঝড়ের জেরে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বিমানটি কিছুক্ষণের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চাইলেও, সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। লাহোর এটিসির তরফে পাইলটের অনুরোধ খারিজ করা হয়। বাধ্য হয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই বিমান চালাতে বাধ্য হন পাইলট। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নিরাপদে শ্রীনগর বিমানবন্দরে বিমানটি নামান। কিন্তু শিলার ধাক্কায় উড়ানটির সামনের অংশ ভেঙে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত এই বিমানে ছিলেন তৃণমূলের পাঁচ প্রতিনিধি। এঁরা হলেন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুইয়া এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, মমতাবালা ঠাকুর, নাদিমুল হক ও সাগরিকা ঘোষ। পাক গোলায় বিধ্বস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দলটি কাশ্মীর গিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.