Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজস্থানের ঘটনা এখানে হলে বিজেপি নেতাকে পুড়িয়ে মারতাম: অনুব্রত

আফরাজুল হত্যা কাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বে-লাগাম 'কেষ্টা'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২১, ১২:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২১, ১২:১৯

options
link
রাজস্থানের ঘটনা এখানে হলে বিজেপি নেতাকে পুড়িয়ে মারতাম: অনুব্রত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার মুরারইয়ে তিনি বলেন, ‘রাজস্থানের ঘটনা যদি আমার জেলায় হত, তাহলে যত বড় বিজেপি নেতাই হোন না কেন, তাকে আমি পুড়িয়ে মেরে দিতাম।’ অনুব্রতর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজস্থানের বিজেপি নেতারা মামলা করবেন বলে জানাল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

এদিনের সভামঞ্চ থেকে অনুব্রত প্রশ্ন তোলেন, মানুষকে মারা অধিকার কে দিয়েছে? কেনই বা মারা হল বাংলার এক শ্রমিককে? মুসলিম বলেই কি বিজেপির এত রাগ, ক্ষোভ চেপে রাখেননি ‘কেষ্টা’। দাবি করেন, তাঁর জেলায় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি অটুট রয়েছে। তারাপীঠে বহু মুসলিম পুজো দিতে যান, তিনি নিজে চাদর চড়াতে যান দাতাবার মাজারে। ‘কই, কোথাও তো কোনও দ্বন্দ্ব নেই।’ তাঁর অভিযোগ, দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক হিংসার বিষ ছড়াতে চাইছে বিজেপি। মানুষকে একজোট হয়ে বিজেপির এই কৌশল রুখে দিতে হবে বলে আহ্বান জানান তিনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী না হিন্দুত্বর, আফরাজুল কাণ্ডে তোপ ওয়েইসির]

মালদহের কালিয়াচকের প্রৌঢ়কে কোপানোর পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয় রাজস্থানের রাজসামান্দ জেলায়। নৃশংস সেই হত্যালীলার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। প্রথমে এই ঘটনায় লাভ জেহাদ-এর তত্ত্ব উঠে এলেও পরে মৃত মহম্মদ আফরাজুলের সঙ্গে নাম জড়িয়ে যাওয়া তরুণী জানান, ওই তত্ব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আপাতত এই ঘটনার আঁচে পুড়ছে গোটা বাংলা। তপ্ত হতে চলেছে দিল্লিও। বাংলার শ্রমিককে রাজস্থানে হত্যার অভিযোগে সংসদে সরব হবে তৃণমূল কংগ্রেস। মৃতের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতের বাড়িতে গিয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দল। ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল।

[হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আফরাজুলের খুনির প্রশংসা, দেখেও নীরব বিজেপি সাংসদ]

কিন্তু প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এবার অনুব্রত মণ্ডল অশালীন ভাষা ব্যবহার করে ফেলেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতি দাবি করেছে বিরোধীরা। আফরাজুল হত্যা কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। লাভ জেহাদের ধুয়ো তুলে রাজস্থানের রাজসামান্দে বাঙালি প্রৌঢ় মহম্মদ আফরাজুল খানের নৃশংস হত্যালীলায় শিউড়ে ওঠে গোটা দেশ। প্রতিবাদে নিন্দার ঝড় ওঠে সর্বত্র। কিন্তু তাতেও যেন কোনও তাপ-উত্তাপ নেই প্রধানমন্ত্রীর, এই অভিযোগেই সরব হয়েছেন ওয়েইসি। পাশাপাশি গুজরাটে নির্বাচনী সভায় মোদির একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সভায় জনতার উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রীর উক্তি, অযোধ্যায় মানুষ মন্দির চায় না মসজিদ। খুবই দুঃখজনক এই মন্তব্য। ওয়েইসির প্রশ্ন, ‘উনি কি দেশের প্রধানমন্ত্রী না হিন্দুত্বর?’ ভোটের রাজনীতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য দেশে বিভেদ সৃষ্টি করছে বলে তোপ দাগেন ওয়েইসি।

[আফরাজুল খুনে ‘লাভ জেহাদের’ তত্ত্ব ভিত্তিহীন, দাবি রাজস্থানের তরুণীর]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.