Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttarakhand

স্ত্রীর সন্তান প্রসবে টাকা দিতে ‘অস্বীকার’ করায় মাকে খুন, যাবজ্জীবন ছেলের

ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৫, ১৫:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৫, ১৫:১১

options
link
স্ত্রীর সন্তান প্রসবে টাকা দিতে ‘অস্বীকার’ করায় মাকে খুন, যাবজ্জীবন ছেলের zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্ত্রীর ডেলিভারির জন্য মায়ের কাছে টাকা চেয়েছিলেন ছোট ছেলে। তা দিতে অস্বীকার করেন মা। বিবাদের জেরে মাকে খুনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় ছেলেকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত।

ঘটনাটি উত্তরাখণ্ডের চামেলি জেলার। আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ রাতে মা চম্পা দেবীকে খুন করেন তাঁর ছোট ছেলে কালাম রাম। মোটা লাঠির আঘাতে তাঁর মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। মাকে খুনের কারণ হিসাবে উঠে আসে স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের জন্য টাকা চেয়েও না পাওয়া।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হন অভিযুক্তের বউদি ঊর্মিলা। কারণ ঘটনার দিন ঘরে একমাত্র তিনি উপস্থিত ছিলেন। আদালতে ঊর্মিলা জানান, ঘটনার দিন রাতে বরফপাত হচ্ছিল। রাতে হঠাৎ বাড়িতে আসে তাঁর দেওর। জানান, তাঁর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। অস্ত্রোপচারের জন্য টাকা লাগবে। তবে চম্পাদেবী টাকা দিতে পারবেন না বলে জানান। বচসা বাঁধে তাঁদের। কিছুক্ষণ পরে তা মিঠেও যায়। রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর ছেলে,মা একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পাশেই নিজের ঘরে চলে যান ঊর্মিলা। রাতের ফের ঝগড়ার শব্দ পান তিনি। চম্পা দেবীর চিৎকারও শুনতে পারেন। ভয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে সকালে চম্পা দেবীর দেহ উদ্ধার হয়। দেওর ঘরে ছিলেন না। তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, ভারী কিছু দিয়ে চম্পা দেবীর মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তাতে খুলির সামনের দিকের হাড় ভেঙে যায়। ভাঙে মাথার পাশের হাড়ও।

পুলিশে অভিযোগ জানায় পরিবার। কামাল নিখোঁজ থাকলেও পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে ঊর্মিলা জানান, “সকালে ঘরে গিয়ে দেখি শাশুড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারপাশ। স্বামীকে খবর দিই। ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান।” তদন্তে নেমে মৃতার ঘর থেকে রক্তমাখা লাঠি উদ্ধার করে পুলিশ। সেটিই খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র তা আদালতে প্রমাণ হয়। তিনবছর ধরে মামলা চলার পর ছোট ছেলেকে দোষী সাবস্ত্য করে আজীবন কারাদণ্ডের রায় দেন বিচারক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.