Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Kangchenjunga

পর্বতারোহণে আপত্তি, কাঞ্চনজঙ্ঘার পবিত্রতা রক্ষায় নেপালকে চিঠি SIBLAC-এর

'কাঞ্চনজঙ্ঘায় পর্বতারোহণ ধর্মীয় আস্থায় আঘাত', সরব সিকিম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৫, ১৭:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৫, ১৭:১৯

options
link
পর্বতারোহণে আপত্তি, কাঞ্চনজঙ্ঘার পবিত্রতা রক্ষায় নেপালকে চিঠি SIBLAC-এর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঈশ্বর হিসেবে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পুজো করেন সিকিমবাসী। সেখানে পর্বাতোরহীদের আরোহণ ঈশ্বরকে অপমান। এমনই দাবি করে কাঞ্চনজঙ্ঘায় পর্বতারোহণ বন্ধ করার আর্জি জানালো ‘সিকিম ভুটিয়া লেপচা অ্যাপেক্স কমিটি’ (SIBLAC)। এই মর্মে নেপাল সরকার ও নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন (NMA)-কে চিঠি লিখল ওই কমিটি।

নেপালের পর্যটনমন্ত্রী ও এনএমএ সভাপতিকে লেখা চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ জুন ভারত ও নেপালের পর্বাতোরহীদের কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক। SIBLAC-এর মতে, কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত শুধুমাত্র কোনও ভৌগলিক ক্ষেত্র নয়, এটি সিকিমের মানুষের ধর্মীয় আস্থা। এই পর্বতকে ঈশ্বর হিসেবে পুজো করা হয়। ওই কমিটির দাবি, ওই পর্বত অসমের মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিবছর ওই পর্বতে স্থানীয় জনগন প্রার্থনা করতে যান। চিঠিতে ২০০১ সালে সিকিম সরকারের তরফে কাঞ্চনজঙ্ঘায় পর্বতারোহণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি এই মর্মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। আবেদন জানানো হয়, ভারত সরকার যেন নেপাল সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় কাঞ্চনজঙ্ঘায় পর্বাতোরহণ বন্ধ করার। সম্প্রতি অরুণাচল থেকে একটি পর্বাতোরহীদের দল কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করে ফিরেছেন। এই ঘটনার পরই শাহের কাছে এই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন তামাং। চিঠিতে বলা হয়, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ বেআইনি তো বটেই সিকিমের মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগের পরিপন্থী। সিকিমবাসীর কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বিশাল। বৌদ্ধধর্ম প্রচারক গুরু রিনপোচে তথা গুরু পদ্মসম্ভব এই পথ ধরেই অগ্রসর হয়েছিলেন। কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সিকিমের প্রধান দেবতার আবাসভূমি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন তিনি। ফলে সেই বিশ্বাস থেকে সিকিম সরকার ওই পর্বত আরোহণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে।’ নেপাল যাতে সিকিমবাসীর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করে তার জন্য নেপালের কাছে এই ধরনের অভিযান বন্ধে সরকার আবেদন জানাক সেই আর্জি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কাঞ্চনজঙ্ঘা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান। সে কথা মাথায় রেখে স্যাকরেড প্লেসেস অব ওয়ারশিপ (স্পেশ্যাল প্রভিশনস) অ্যাক্ট, ১৯৯১-এর আওতায় এই পর্বতে আরোহণ নিষিদ্ধ করে সিকিম সরকার। ২০০১ সালে এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর সিকিম রুট ধরে আর কেউ কাঞ্চনজঙ্ঘা যান না। নেপালের পথে এখনও জারি রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ। এবার ওই রুট বন্ধের আর্জি জানিয়ে নেপাল সরকারকে চিঠি দিল ‘সিকিম ভুটিয়া লেপচা অ্যাপেক্স কমিটি’।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.