Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Aamir Khan

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে দেরিতে পোস্ট করার খেসারত? কারগিলে সেনার সঙ্গে থাকার স্মৃতি আমিরের মুখে

মুক্তির আগে বিতর্কে জড়িয়েছে আমিরের নতুন ছবি 'সিতারে জমিন পর'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৫, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
অপারেশন সিঁদুর নিয়ে দেরিতে পোস্ট করার খেসারত? কারগিলে সেনার সঙ্গে থাকার স্মৃতি আমিরের মুখে zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাতে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জঙ্গিঘাঁটি। সেনার এহেন সাফল্য নিয়ে দেরিতে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত ট্রোল হয়েছিলেন আমির খান। তারপর নানারকমভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। তবে তাতে যে খুব একটা লাভ হয়েছে এমনটা নয়। মুক্তির আগে বিতর্কে জড়িয়েছে আমিরের নতুন ছবি ‘সিতারে জমিন পর’। আর অপারেশন সিঁদুর নিয়ে দেরিতে পোস্ট করার খেসারত আমির যে এখনও দিয়ে চলেছেন, তাঁর বিভিন্ন কার্যক্রমে তেমনটাই মনে করছেন অনেকে। সম্প্রতি আমিরের কারগিলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া প্রসঙ্গে তা আরও জোরালো হচ্ছে। 

সম্প্রতি এক টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে এসে কারগিল যুদ্ধ পরবর্তী অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন আমির। সেই শোয়ে এসেই তিনি বলেন, “আমি ভারতীয় সেনা বাহিনীর জন্য ভীষণ গর্বিত। এমনকী কারগিল যুদ্ধের পর সেখানে আমি গিয়েছিলাম এবং টানা আটদিন আমি সেখানে বাঙ্কারে দিন কাটিয়েছি। লেহতে নেমেছিলাম আমি। সেখান থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে আমি প্রতিটি রেজিমেন্টের সঙ্গে দেখা করেছি। ওই আটদিন শুধু সৈন্যদের সঙ্গে কেটেছে আমার। আমি তাঁদের প্রত্যেকের কাছে ভীষণ কৃতজ্ঞ আমাদের এভাবে নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখার জন্য।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Aamir Khan postpones Sitaare Zameen Par trailer launch amid Indo-Pak tensions
ছবি: ফেসবুক

এর সঙ্গে আমির আরও বলেন, “আমি মনে করেছিলাম তাঁদের এই পরিস্থিতিতে আমি সেখানে গিয়ে সৈন্যদের মনোবল বাড়াব। কিন্তু ঠিক এর উলটোটা হয়েছে। আমি সেখানে গিয়ে বুঝেছি যে তাঁদের মনোবল বাড়াতে আমার তাঁদের পাশে থাকার প্রয়োজন নেই। বরং সেনারাই আমার মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও মুখে সর্বদা লেগে থাকা হাসিই আমার মনোবল বাড়িয়ে তুলেছিল। আমি ওই আটদিন বাঙ্কারে তাঁদের সঙ্গে থেকেছি। তাঁদের কাছ থেকে দেখেছি। দেখেছি কীভাবে তাঁরা জীবনধারণ করেন সেসবকিছু প্রত্যক্ষ করেছি। এবং আমার মনে হয় যে আমার মতো এমন অভিজ্ঞতা আর কেউ সঞ্চয় করেনি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.