Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Dev

দুর্যোগের মাঝে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে দেবকে খোঁচা BJP বিধায়কের! পালটা দিলেন সাংসদও

কী লিখলেন দেব?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৫, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৫, ১৮:২৩

options
link
দুর্যোগের মাঝে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে দেবকে খোঁচা BJP বিধায়কের! পালটা দিলেন সাংসদও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত একাধিক জেলা। বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায়। তারপর থেকেই স্বাভাবিকভাবেই চর্চায় ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় সাংসদ দেবকে নিশানা করেছেন বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। এবার তার পালটা দিলেন সাংসদ দেব। সোশাল মিডিয়ায় কেন্দ্রকে নিশানা করলেন তিনি। বুঝিয়ে দিলেন, কেন্দ্রের অসহযোগিতার কারণেই ভোগান্তির শিকার ঘাটালের মানুষ। 

Advertisement

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

বর্ষার শুরুতেই ভেসেছে ঘাটাল-সহ পশ্চিম মেদিনীপুরের একের পর এক গ্রাম। জলবন্দি প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ান নিয়ে দেবকে কটাক্ষ করছেন বিরোধীরা। বিজেপি বিধায়ক সোশাল মিডিয়ায় নিশানা করেন সাংসদ দেবকে। লেখেন, ‘এবার দেখবেন পাগলু ঘাটালে শ্যুটিং করতে আসবেন। আর কতবার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবেন? আপনি নিজের ঢাক নিজেই বাজিয়েছিলেন। এখন মানুষ ওনাকে ঢপবাজ বলছেন। আপনি শুধু মিথ্যা কথা বলতে জানেন, অভিনয় করতে জানেন। সিনেমা আর বাস্তবকে এক মনে করেছেন। ঘাটালের মানুষ আজ জবাব চাইছে।’

রবিবার তার পালটা দিলেন দেব। সোশাল মিডিয়া পোস্টে মনে করিয়ে দিলেন তিনি বারবার কেন্দ্রের কাছে আর্জি করলেও লাভ হয়নি। লিখলেন, ‘বিগত ১০ বছর ধরে লোকসভার সকল অধিবেশনে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের স্বপক্ষে সওয়াল করে এসেছি। অনেক চেষ্টার পরও কেন্দ্রীয় সরকার তাতে সাড়া দেয়নি। ২০২৪ সালে রাজ্য সরকারই সিদ্ধান্ত নেয় এবং এক তৃতীয়াংশ বাজেট (৫০০ কোটি) বরাদ্দ করে। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে কাজ শুরু হয়। এই মাস্টারপ্ল্যানে ৭৮ কিমি + ৫২ কিমি নদীর ড্রেজিং থেকে শুরু করে বাঁধ, ব্রিজ ,খাল কাটা, খালের সংস্করণ, কৃত্রিম নদী তৈরি করা, জমি অধিগ্রহণ সবই আছে। যার সময়সীমা কমপক্ষে ৪-৫ বছর।’ অর্থাৎ কেন্দ্রের অসহযোগিতার কারণেই আটকে ছিল কাজ। এরপরই দেব আরও লিখেছেন, ‘ঘাটালে বন্যা হওয়ার পর মানুষের অভিমান যথারীতি জনপ্রতিনিধিদের উপরেই হবে।’ অর্থাৎ সাংসদ বোঝাতে চেয়েছেন, কেন্দ্রের কারণে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ আটকে থাকলেও মানুষ ভুল বুঝছে শাসকদলের জনপ্রতিনিধিকেই। তবে দেবের আশ্বাস,’দুর্যোগে সরকার এবং প্রশাসন আপনাদের পাশে সবসময় রয়েছে।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.