ঘনঘন হারিয়ে ফেলেন মোবাইল-চশমা-ছাতা! ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমাবে এই খাবারগুলি
মেনে চলুন এই নিয়ম।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১৭:২২
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১৭:২২
১১১
বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মোবাইল নিতে ভুলে যান? কিংবা মাথার উপর চশমা রেখে গোটা ঘর খুঁজতে থাকেন? বর্ষার মরশুমে ছাতা হারানোর ঘটনা তো আখছার শোনা যায়। কিন্তু এই ভুল যদি বারবার ঘটতে থাকে, তাহলে সাধু সাবধান! স্মৃতি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছে না তো? স্মৃতির এই ক্ষয় শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণ প্রজন্মকেও আজকাল জাপটে ধরেছে। বেহিসেবি জীবনযাপন, মানসিক উদ্বেগ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রভৃতি কারণে বার্ধক্যের বহু আগেই...
২১১
ভুলে যাওয়ার এই প্রবণতাকে আস্কারা দিলেই তৈরি হতে পারে বড় সমস্যা। চিরস্থায়ী প্রবণতা হিসেবে দেখা দিতে পারে অ্যামনেসিয়ার মতো রোগ। তাই, স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে কিছু খাবার। এই খাবারগুলি নিত্য আপনার পাতে পড়লে কমবে ভোলার প্রবণতা। বাড়বে মনের একাগ্রতাও।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ: স্যামন, টুনা, সার্ডিন, ইলিশের মতো চর্বিযুক্ত মাছগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (বিশেষ করে EPA এবং DHA) থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষ গঠন এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৪১১
বেরি জাতীয় ফল: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলো মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। একইসঙ্গে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়।
Advertisement
৫১১
বাদাম ও বীজ: আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনাবাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিলের বীজ এগুলিতে ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সবুজ শাক-সবজি: পালং শাক, ব্রোকলি, কেল-এর মতো গাঢ় সবুজ শাক-সবজিতে ভিটামিন কে, লুটেইন, ফোলেট এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ও বয়সজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করতে সাহায্য করে।
Advertisement
৭১১
ডার্ক চকোলেট: এতে ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে এবং মস্তিষ্ক আরও সচল করতে সাহায্য করে। তবে ডার্ক চকোলেট কমপক্ষে ৭০% কোকো সমৃদ্ধ হওয়া উচিত এবং মিষ্টির পরিমাণ কম থাকা উচিত।
৮১১
ডিম: ডিম কোলিন এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস। কোলিন হল অ্যাসিটাইলকোলিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ভিটামিন বি৬, বি১২ এবং ফোলেট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও স্নায়বিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৯১১
হলুদ: হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক যৌগ যা শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাগুণ সম্পন্ন। এটি মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে।
১০১১
আস্ত শস্য: ওটস, ব্রাউন রাইস, কুইনোয়া, লাল আটার রুটি প্রভৃতি মস্তিষ্কের পুষ্টি জোগাবার জন্য দারুণ উৎস। এগুলিতে থাকা ফাইবার মস্তিষ্কের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
১১১১
এই খাবারগুলি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণও স্মৃতিশক্তির উন্নতির জন্য অপরিহার্য।
এদিন নিজেদের বিয়ের একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে শ্রুতি স্বামী স্বর্ণেন্দুর উদ্দেশে লিখেছেন, 'যুদ্ধজয়ের দ্বিতীয় বছর। মিসেস শ্রুতি স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার হয়ে ওঠার ৭৩০ দিন'।
৪১০
কীভাবে গড়ে উঠল তাঁদের এই সম্পর্ক? কাটোয়া থেকে আসা শ্রুতির জীবনের প্রথম ধারাবাহিক 'ত্রিনয়নী'। সেই ধারাবাহিকের পরিচালক ছিলেন স্বর্ণেন্দু। ধীরে ধীরে ডিরেকটর সাহেবের সঙ্গে সখ্যতা বাড়ে শ্রুতির। তৈরি হয় ভালোবাসার সম্পর্ক।
৫১০
যদিও তাঁদের এই সম্পর্ক, বয়সের পার্থক্য নিয়ে নানা সময় নানা কটূক্তি ধেয়ে এসেছে। কিন্তু কোনও কিছুতেই কর্ণপাত করেননি তাঁরা। শুধু ভরসা রেখেছেন নিজেদের ভালোবাসার উপর। অবশেষে ২০২৩ সালে ৯ জুলাই চারহাত এক হয় শ্রুতি ও স্বর্ণেন্দুর।
পরিবার, আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে বসেছিল তাঁদের বিয়ের আসর। আইনি বিয়ের পাশাপাশি শ্রুতির সিঁথি রাঙিয়ে এদিন শ্রুতির গলায় মঙ্গলসূত্র পরিয়ে দেন স্বর্ণেন্দু। হয়েছিল আংটিবদলও।
৭১০
স্বপ্নের মতো ছিল তাঁদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু। বিয়ের সাজও ছিল তাঁদের এক্কেবারে আলাদা। অভিষেক রায়ের ডিজাইন করা লাল পাইপিং দেওয়া সাদা রঙের শাড়ি ও পাঞ্জাবীতে সেজে উঠেছিলেন শ্রুতি ও স্বর্ণেন্দু। শ্রুতি সেজেছিলেন পুরোদস্তুর রুপোর গয়নায়।
৮১০
বিয়ের পর মিনি হনিমুনে পাহাড়ের কোলে গিয়েছিলেন তাঁরা। পরবর্তীতে পরিবার ও স্বর্ণেন্দুর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গিয়েছেন। নিজেদের কাজের ব্যস্ততার মাঝে সময় পেলেই দু'জনে একান্তে সময় কাটাতে বেরিয়ে পরেন।
৯১০
স্বামী স্বর্ণেন্দুকে নিয়ে কাজ থেকে ব্যক্তিগত জীবন সবক্ষেত্রেই গর্বিত শ্রুতি। জীবনের নানা ওঠাপড়ায় দু'জন দু'জনের পাশে থেকেছেন।
১০১০
এইমুহূর্তে শ্রুতির কেরিয়ারে বৃহস্পতি তুঙ্গে। ছোটপর্দার পর একের পর এক বাংলা ছবি ও সিরিজে কাজ করছেন। স্ক্রিন শেয়ার করছেন কিংবদন্তি শিল্পীদের সঙ্গে। অন্যদিকে স্বর্ণেন্দু ব্যস্ত এখন তাঁর ধারাবাহিক 'বুলেট সরোজিনী' নিয়ে। (ছবি: শ্রুতি দাসের ইনস্টাগ্রাম)।
রইল লর্ডসে ভারত বনাম ইংল্যান্ডের শেষ দশ টেস্টের খতিয়ান।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১৬:৫৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১৬:৫৯
১১১
এজবাস্টনে প্রথমবার টেস্টে জয় পেয়েছে ভারত। পরের টেস্ট লর্ডসে। সেখানেও টেস্টে টিম ইন্ডিয়ার পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো নয়। ১৯টি টেস্টের মধ্যে জিতেছে মাত্র ৩টিতে, ড্র ৪টি, হার ১২টিতে। শুভমান গিলরা কি পারবেন ফের জয় ছিনিয়ে এনে সিরিজে এগিয়ে যেতে? গত দশটি টেস্টে লর্ডসে ভারতের পরিসংখ্যানই বা কীরকম?
২১১
২০২১ সালের আগস্টে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ১৫১ রানে জিতেছিল ভারত। সেই ম্যাচের শেষ ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ১২০ রানে চুরমার করেছিলেন মহম্মদ সিরাজ, জশপ্রীত বুমরাহরা। প্রথম ইনিংসে ১২৯ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কেএল রাহুল। এবারের টেস্টেও তিনজনেই খেলতে পারেন। তবে দলে নেই হাফসেঞ্চুরি করা মহম্মদ শামি।
২০১৮ সালের ফলাফল অবশ্য ভারতের পক্ষে যায়নি। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে সেবার এক ইনিংস ও ১৫৯ রানে হেরেছিল ভারত। ১৩৭ রানের পাশাপাশি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন ক্রিস ওকস। এবারও ইংল্যান্ড দলে থাকতে পারেন তিনি।
৪১১
২০১৪-য় মহেন্দ্র সিং ধোনির টিম ইন্ডিয়া ৯৫ রানে জয় পেয়েছিল। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। তবে ম্যাচের নায়ক অবশ্যই ইশান্ত শর্মা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৪ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। যা আজও লর্ডসে কোনও ভারতীয়র সেরা বোলিং। তবে ভুলে গেলে চলবে না, ভুবনেশ্বর কুমার প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন।
৫১১
মহেন্দ্র সিং ধোনির দল ২০১১ সালে লর্ডসে সাফল্য পায়নি। প্রথম ইনিংসে কেভিন পিটারসেনের অপরাজিত ২০২ রানের দাপটে ভারত ১৯৬ রানে হারে। রাহুল দ্রাবিড়ের সেঞ্চুরি কিংবা প্রবীণ কুমারের ৫ উইকেট ভারতকে জেতাতে পারেনি।
২০০৭ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে লর্ডসে ড্র করে ভারত। বলা যায়, বৃষ্টি বাঁচিয়ে দিয়েছিল ভারতকে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, শচীন তেণ্ডুলকর, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও দ্রাবিড়ের মতো তারকা ব্যাটাররা থাকলেও সাফল্য আসেনি। সেঞ্চুরি করে ম্যাচের নায়ক হন কেভিন পিটারসেন।
৭১১
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ভারত ২০০২ সালে লর্ডসে ১৭০ রানে হেরেছিল। সেই ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন অজিত আগরকর। বিপরীতে ইংল্যান্ডের নাসের হুসেন, মাইকেল ভন ও জন ক্রলি সেঞ্চুরি করেছিলেন।
৮১১
লর্ডস টেস্ট ড্র হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। তখন ভারতের অধিনায়ক ছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। তবে ওই ম্যাচ অন্য আরেকটি কারণে বেশি জনপ্রিয়। অভিষেক টেস্টে ১৩১ রান হাঁকিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজের আবির্ভাব ঘোষণা করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই টেস্টে অভিষেক হয়েছিল রাহুল দ্রাবিড়ের (৯৫)।
৯১১
১৯৯০ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের ভারত হেরেছিল ২৪৭ রানে। ইংরেজ অধিনায়ক গ্রাহাম গুচ প্রথম ইনিংসে রেকর্ড ৩৩৩ রান করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ১২৩ রান। অর্থাৎ একই টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি করেছিলেন।
১০১১
লর্ডসে কপিল দেবের ভারত ইতিহাস গড়েছিল ১৯৮৬ সালে। ৫ উইকেটে জিতেছিল ভারত। এটাই লর্ডসে ভারতের প্রথম জয়। দুই ইনিংস মিলিয়ে চেতন শর্মা ৬ ও কপিল দেব ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন দিলীপ বেঙ্গসরকর।
১১১১
১৯৮২ সালে লর্ডসে ৭ উইকেটে হেরেছিল ভারত। ফলো অনের লজ্জাও ছিল ভারতের জন্য। সুনীলও গাভাসকরের নেতৃত্বে ভারত হারলেও ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কপিল দেব।