Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
Praggnanandhaa

গুকেশের পর হারালেন প্রজ্ঞানন্দও, ভারতীয়দের বিরুদ্ধে দুর্দশা অব্যাহত কার্লসেনের

দাবার প্রত্যেকটি ফরম্যাটেই কার্লসেনকে হারানোর নজির গড়লেন প্রজ্ঞা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৫, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৫, ১৭:০৬

options
link
গুকেশের পর হারালেন প্রজ্ঞানন্দও, ভারতীয়দের বিরুদ্ধে দুর্দশা অব্যাহত কার্লসেনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ম্যাগনাস কার্লসেনের দুর্দশা অব্যাহত। এবার বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ুকে হারিয়ে দিলেন ভারতের বিস্ময় প্রতিভা রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। বুধবার লাস ভেগাসের ফ্রিস্টাইল চেস গ্র্যান্ড স্ল্যামে মাত্র ৩৯টি চালে কার্লসেনকে মাত করে দেন তিনি। দাবার প্রত্যেকটি ফরম্যাটেই কার্লসেনকে হারানোর নজির গড়লেন প্রজ্ঞা।

কয়েকদিন আগেই একাধিকবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশের কাছে হেরেছিলেন কার্লসেন। এবার প্রজ্ঞার বিরুদ্ধেও হেরে ফিরতে হল তাঁকে। তবে বৃহস্পতিবার টুর্নামেন্টের শুরুটা দুরন্তভাবে করেছিলেন কার্লসেন। টানা দুই ম্যাচে জিতে প্রজ্ঞার বিরুদ্ধে খেলতে বসেছিলেন। কিন্তু গোটা ম্যাচে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েন কার্লসেন। মাত্র ৩৯টি চালের পরেই আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেলা শুরু করেন প্রজ্ঞানন্দ। তাঁর ৯৩.৯ শতাংশ চালই একেবারে নিখুঁত ছিল। অন্যদিকে কার্লসেন মাত্র ৮৪.৯ শতাংশ চাল সঠিক দিয়েছেন। বারবার ভুল করতে করতে মেজাজ হারাতে থাকেন কার্লসেন। কিন্তু ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষকে হারান প্রজ্ঞা। শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হাসেন তিনি। আগেও বেশ কয়েকবার কার্লসেনকে হারিয়েছেন প্রজ্ঞা। ফলে ক্লাসিক্যাল, র‍্যাপিড এবং ব্লিৎজ-দাবার তিন ফরম্যাটেই কার্লসেনকে হারানোর নজির গড়লেন ১৯ বছর বয়সি দাবাড়ু। প্রজ্ঞার কাছে হারের পর টুর্নামেন্টে আর একটাও ম্যাচে জিততে পারেননি কার্লসেন। টানা হেরে কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.