Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Israel

চিনতে হবে শত্রুকে! ইজরায়েলি সেনায় এখন ইসলাম ও আরবি শিক্ষা বাধ্যতামূলক

গোয়েন্দা বিভাগের জন্য বিশেষ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৫, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৫, ১৬:২৫

options
link
চিনতে হবে শত্রুকে! ইজরায়েলি সেনায় এখন ইসলাম ও আরবি শিক্ষা বাধ্যতামূলক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চারপাশ ঘিরে রয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়। তাই শত্রুকে গুঁড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বুকে ‘রাজ’ করতে গেলে ইসলাম জানাটা একান্ত প্রয়োজন। শত্রুর শক্তি, দুর্বলতা ও প্রতিটি পদক্ষেপ মেপে নিতে এবার অভিনব পদক্ষেপ ইজরায়েলের। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IMF)-এর তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগের সমস্ত আধিকারিক ও কর্মীদের আরবি ভাষা ও ইসলাম নিয়ে বিশদে পড়াশুনো করতে হবে। সেই লক্ষ্যে গোয়েন্দা বিভাগের জন্য বিশেষ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরে কার্যত গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে একা হাতে দমন করছে ইজরায়েল। একাধিক ফ্রন্টে চলছে লড়াই। প্রধান শত্রু ইরানের পাশাপাশি ইজরায়েলকে লড়তে হচ্ছে হামাস, হাউথি, হেজবোল্লার মতো শত্রুর সঙ্গে। প্রতিটি শত্রুই বাঁধা রয়েছে এক সুতোয়। তা হল ইসলাম ধর্ম ও আরবি ভাষা। সে কথা মাথায় রেখেই ইসলাম ধর্মকে ভালো করে জানার প্রয়োজনবোধ করছে ইজরায়েল। একইভাবে প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে আরবি জানা। এই পরিস্থিতিতে AMAN (ইজরায়েল সেনার গুপ্তচর বিভাগের হিব্রু নাম) প্রধান মেজর জেনারেল শ্লোমি বাইন্ডার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী বছর থেকে দপ্তরের সমস্ত কর্মী ও আধিকারিককে ইসলাম শিক্ষা নিতে হবে। একইসঙ্গে ৫০ শতাংশ কর্মীকে আরবি ভাষা শিখতে হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্ম ও ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি হাউথি ও ইরাকের মানুষের ভাষার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা বিভাগের কর্মীদের হাউথিদের কথা বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী এখানকার মানুষ কাত (মৃদু নেশার দ্রব্য) সেবন করেন। চিবিয়ে খাওয়া এই মাদক দীর্ঘদিন খয়ার ফলে স্পষ্টভাবে কথা বলতে সমস্যা হয়। ইজরায়েলের এক বরিষ্ঠ সেনা আধিকারিক জানান, ”এখনও পর্যন্ত আমরা ওদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ইসলাম ধর্মের নানা বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নই। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। আমরা আমাদের সেনাকে আরব দেশের গ্রামে বেড়ে ওঠা শিশুদের মতো করে হয়ত তৈরি করতে পারব না, তবে ওদের ভাষা ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন করে ওদের সম্পর্কে আরও বেশি করে জানতে পারব।”

আর্মি রেডিওর সামরিক সংবাদদাতা ডোরন কাদোশ বলেন, আরবি ও ইসলামিক শিক্ষার জন্য একটি নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এর পাশাপাশি, আইডিএফ মিডিল ও হাইস্কুলে আরবি ভাষা শিক্ষার জন্য টেলিম বিভাগটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে। বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে আগে এই বিভাগটি বন্ধ ছিল। এর ফলে আরবি শিক্ষার্থীর কর্মীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এখন যেহেতু এটির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তাই এটি পুনরায় চালু করার প্রস্তুতি চলছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.