Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Z-10ME helicopter

ভারতের ‘উড়ন্ত ট্যাঙ্ক’ অ্যাপাচে বনাম পাকিস্তানের চিন নির্মিত Z-10ME কপ্টার, কে বেশি শক্তিশালী?

পাক কপ্টারের তুলনায় কোথায় এগিয়ে ভারতের অ্যাপাচে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১৬:৫৬

options
link
ভারতের ‘উড়ন্ত ট্যাঙ্ক’ অ্যাপাচে বনাম পাকিস্তানের চিন নির্মিত Z-10ME কপ্টার, কে বেশি শক্তিশালী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের ‘উড়ন্ত ট্যাঙ্ক’ অ্যাপাচেকে টক্কর দিতে পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক Z-10ME অ্যাটাকিং কপ্টর দিয়েছে চিন। গত ২ আগস্ট এই কপ্টারকে পাক বিমান শাখার অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি মুজাফফরগড়ে পাক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে এই কপ্টারের প্রদর্শনী করেন খোদ পাক সেনা প্রধান আসিম মুনির। চিনের তৈরি নয়া কপ্টার পাক সেনার হাতে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতের অ্যাপাচে নাকি পাকিস্তানের Z-10ME কে বেশি শক্তিশালী?

জানা যাচ্ছে, Z-10ME হেলিকপ্টারটির পাল্লা ১,১২০ কিলোমিটার। অস্ত্র ছাড়া এর ওজন ৫,১০০ কেজি। এটি ২৩ মিমি ক্যালিবার বন্দুক দিয়ে সজ্জিত এবং চারটি হার্ডপয়েন্টে আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে। হেলিকপ্টারে ১৬টি ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র, চারটি ৭-ব্যারেল রকেট লঞ্চার বা দুটি ৩২-ব্যারেল রকেট লঞ্চার বহন করতে পারে। ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করতে এবং সেনাবাহিনীর উপর হামলা চালাতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে যেতে পারে। কপ্টারটি পাকিস্তানের পুরনো AH-1F/S কোবরা হেলিকপ্টারের পরিবর্তে মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে ভারত সীমান্তে মোতায়েন করা হচ্ছে এই কপ্টার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, ভারতের অ্যাপাচে AH-64E কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই পরীক্ষা করা হয়নি, এতে রয়েছে লংবো ফায়ার কন্ট্রোল রাডার। নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে এতে রয়েছে TADS প্রযুক্তি ও নাইট ভিশন সেন্সর। যার মাধ্যমে রাতের অন্ধকারে ও খারাপ আবহাওয়াতেও শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম। ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ও ডেটা লিঙ্ক করার ক্ষমতা এই কপ্টারকে আরও বেশি অত্যাধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন করে তোলে। অ্যাপাচেতে ৩০ মিমির কামান, রকেট এবং হেলফায়ার মিসাইল দিয়ে সজ্জিত। যার মাধ্যমে ভূমি এবং আকাশ উভয় ক্ষেত্রেই শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

Z-10ME এর অসুবিধা: অ্যাপাচের যুদ্ধক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকলেও Z-10ME কেবল কাগজে-কলমে শক্তিশালী। কপ্টারটিতে কোনও অত্যাধুনিক রাডারের সুবিধা নেই। ফলে শত্রুর হামলা প্রতিরোধ করতে রীতিমতো বেগ পেতে হবে কপ্টারটিকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.