সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটার তালিকা কারচুপির অভিযোগে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। দেশজুড়ে বিজেপি-র বিরুদ্ধে ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এসআইআর ইস্যুতে রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রেক্ষাপটে বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তাঁর অভিযোগ, নাগরিক হওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম ছিল সোনিয়া গান্ধীর।
মালব্যর সুরে সুর মিলিয়েছেন বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরও। দাবি করেছেন, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর। যদিও তিনি আরও তিন বছর পরে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের তালিকার ছবি পোস্ট করেছেন মালব্য। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর নাম।
Sonia Gandhi’s tryst with India’s voters’ list is riddled with glaring violations of electoral law. This perhaps explains Rahul Gandhi’s fondness for regularising ineligible and illegal voters, and his opposition to the Special Intensive Revision (SIR).
Her name first appeared… pic.twitter.com/upl1LM8Xhl
— Amit Malviya (@amitmalviya) August 13, 2025
মালব্যর পোস্টে সফদরজং রোডের ১৪৫ নম্বর বুথের তালিকার ছবি দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী এবং মানেকা গান্ধীর নাম রয়েছে। মালব্য দাবি করেছেন, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় সোনিয়ার নাম যুক্ত করা হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, জনগণের বিরোধিতার মুখে সেই নাম ১৯৮২ সালে বাদ দেওয়া হলেও ১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে ফের তালিকাভুক্ত করা হয়। যদিও ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের নাগরিকত্ব পান সোনিয়া।
মালব্যর কথায়, বেআইনি ভাবে সোনিয়ার নাম ভোটার লিস্টে তোলা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, এই কারণেই রাহুল গান্ধী এসআইআর-এর বিরোধিতা করে অবৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার দিতে চাইছেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৬ সালে সোনিয়া গান্ধীর জন্ম হয় ইটালিতে। ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধীকে বিয়ে করে ভারতে আসেন। ভারতের রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপলস অ্যাক্ট ১৯৫০ অনুযায়ী ভারতের নাগরিক নন এমন কারোর নাম ভোটার তালিকায় থাকতে পারবে না। সেই আইন ভাঙা হয়েছে।