Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CSDS

‘ভোটচুরি’র অভিযোগের মধ্যেই মহারাষ্ট্র নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য, সিএসডিএস কর্তার বিরুদ্ধে জোড়া মামলা মহারাষ্ট্রে

পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সিএসডিএসকে নোটিস কেন্দ্রীয় সংস্থার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৫, ০৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৫, ০৯:১৮

options
link
‘ভোটচুরি’র অভিযোগের মধ্যেই মহারাষ্ট্র নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য, সিএসডিএস কর্তার বিরুদ্ধে জোড়া মামলা মহারাষ্ট্রে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ভোটচুরি’ বিতর্ক ঘিরে ফের উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। এর মধ্যেই নির্বাচন-গবেষণা সংস্থা সিএসডিএস (সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ডেভেলপিং সোসাইটিস) সহকারী প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জয় কুমারের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করল মহারাষ্ট্র পুলিশ। নাগপুর এবং নাসিক, দুই শহরের দুই থানায় নামী ওই সংখ্যাতত্ত্ববিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে সোশাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

আসলে দিন কয়েক আগে সঞ্জয় কুমার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। তাতে তিনি দাবি করেন সিএসডিএসের গবেষণা অনুযায়ী মহারাষ্ট্রের একাধিক কেন্দ্রে লোকসভা ও বিধানসভার ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যায় বিস্তর ফারাক ধরা পড়েছে। কোনও কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা রাতারাতি বেড়ে গিয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। আবার কোথাও সেটা রাতারাতি প্রায় ৪০ শতাংশ কমেও গিয়েছে। সেই টুইট হাতিয়ার করে ভোটচুরির অভিযোগে বিজেপিকে নিশানা করা শুরু করে কংগ্রেস। কিন্তু একদিন পরই সঞ্জয় কুমার ওই পোস্টটি ডিলিট করেন। এবং সোশাল মিডিয়ায় ক্ষমা চেয়ে নেন ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় সঞ্জয় কুমার লেখেন, “মহারাষ্ট্র নির্বাচন নিয়ে আমার পোস্টে ভুল হয়েছিল। ২০২৪ লোকসভা ও ২০২৪ বিধানসভা নির্বাচনের তথ্যের তুলনায় বিভ্রাট ঘটেছিল। আমাদের ডেটা টিম ভুল পড়েছিল। টুইটটি মুছে ফেলা হয়েছে। কোনওভাবেই বিভ্রান্তি ছড়ানো আমার উদ্দেশ্য ছিল না।” কিন্তু সঞ্জয়ের সেই পোস্টের পরই পালটা রাজনীতি শুরু হয়। এবার বিজেপি নিশানা করে কংগ্রেসকে। গেরুয়া শিবির দাবি করে, এই ধরনের ভুয়ো তথ্যের উপর ভিত্তি করেই ভোটচুরির প্রচার চালাচ্ছে কংগ্রেস। এসবের মধ্যেই লোকনীতি-সিএসডিএসের ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয় মহারাষ্ট্র পুলিশ। দুই জায়গায় মামলা দায়ের করা হয়ছে মহারাষ্ট্রে।

এখানেই শেষ নয়, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার কেন্দ্রীয় সংস্থা আইসিএসএসআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ সোশাল সায়েন্স রিসার্চ) নির্বাচনী বিশ্লেষণে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তুলল। সেই কারণেই সংস্থাটি নির্বাচন-গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিএসডিএস (সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ডেভেলপিং সোসাইটিস)-কে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে। আইসিএসএসআর-এর অভিযোগ, নির্বাচনী তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট ব্যাখ্যা এবং ভুল উপস্থাপনা করা হয়েছে। সংস্থার নোটিসে বলা হয়েছে, “সিএসডিএস-এর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি সম্প্রতি মহারাষ্ট্র নির্বাচনের তথ্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে মন্তব্য করেন। পরে তথ্য বিশ্লেষণের ত্রুটি ধরা পড়ায় তা প্রত্যাহার করতে হয়। শুধু তাই নয়, নির্বাচন কমিশনের করা এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পর্কেও পক্ষপাতদুষ্ট ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে, গ্রহণযোগ্য নয়।” যা নোটিসে আরও উল্লেখ করা হয়, ভারতীয় সংবিধানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয় এবং নির্বাচন কমিশন দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করিয়ে আসছে। সিএসডিএস-এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগও তুলেছে আইসিএসএসআর। সংস্থার দাবি, এ ধরনের তথ্য বিকৃতি শুধু নির্বাচন কমিশনের পবিত্রতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং আইসিএসএসআর-এর অনুদান সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গ করছে। তাই সংস্থাকে শোকজ করা হচ্ছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.