সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলার সময়ে এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করেছিলেন, রমজান মাসে। সেই ‘অপরাধে’ ক্রিমিনাল তকমা পর্যন্ত জুটেছিল তাঁর কপালে। সেই মহম্মদ শামি এবার মুখ খুললেন জল খাওয়া বিতর্কে। সাফ জানান, বেশ কিছু ব্যতিক্রমের কথা ধর্মীয় আইনেই লেখা রয়েছে। দেশের জন্য কিছু করতে গেলে আইনের কড়াকড়ি শিথিল করা হয়ে থাকে।
বিতর্কের সূত্রপাত চলতি বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল চলাকালীন। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন উইকেট নিয়েছেন শামি। ম্যাচ চলাকালীন দেখা যায়, বাউন্ডারি লাইনের ধারে দাঁড়িয়ে এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করছেন শামি। সেই ছবি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। সকলে বুঝতে পারেন, রমজান মাস শুরু হয়ে গেলেও সেমিফাইনালের দিন রোজা রাখেননি শামি। তারপর থেকেই তারকা পেসারের ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে শুরু হয় সমালোচনা।
ভারতীয় পেসারকে সটান ‘ক্রিমিনাল’ বলে আক্রমণ করেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, “ইসলামের অবশ্য পালনীয় কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম হল রোজা। কোনও সুস্থ মানুষ যদি রোজা না করে তাহলে সে বিরাট পাপ করেছে। মাঠে নেমে খেলছে মানে সে সুস্থ। তা সত্ত্বেও রোজা রাখেনি, উলটে জলও পান করেছে।” শরিয়তের চোখে শামি অপরাধী, এমনটাও দাবি করেন ওই ধর্মগুরু।
গোটা বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন শামি। তারকা পেসারের কথায়, “আমরা ৪৫ ডিগ্রি গরমে খেলছিলাম, নিজেদের উজাড় করে দিয়ে। আমাদের ধর্মীয় আইনেও বলা আছে, দেশের জন্য কিছু করলে বা কোনও যাত্রার মধ্যে থাকলে নিয়মের ব্যতিক্রম হতে পারে। আমরা এর জন্য পরে দণ্ড ভোগ করতে পারি।” তারকা পেসারের কথায়, লোকে তাঁকে নিয়ে কী বলছে বা লিখছে সেসব নিয়ে তিনি ভাবেন না।