সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফি বছর প্রাসাদোপম মন্নতে ধুমধাম করে গণেশ চতুর্থীর পুজো করেন শাহরুখ খান। তবে বর্তমানে বাদশার ঠিকানা বদলে পালি হিলসের ভাড়া বাড়ি হওয়ায়, চলতি বছর সেই রীতিতে ছেদ পড়েছে! বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, নমো নমো করেই গণপতি আরাধনা সেরেছেন কিং। তবে প্রতিবারের মতো এবার বলিউড মেগাস্টারের সোশাল মিডিয়ায় উঁকি দিয়ে সেই ঝলক মেলেনি। ফি বছরের মতো গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে অনুরাগীদের জন্যেও কোনও শুভেচ্ছাবার্তা আসেনি বাদশার তরফে। তবে উৎসবের একেবারে অন্তিম লগ্নে ‘কিং’ মেজাজে ধরা দিলেন শাহরুখ খান। যে লুক উসকে দিল ‘ডন’ ছবির নস্ট্যালজিয়া।
পরনে গাঢ় নীল কুর্তা। সাদা ধুতি প্যান্ট। চোখেমুখে ক্লান্তি থাকলেও বাদশার ব্যক্তিত্বই আসল রাজা। তবে ছবিশিকারিদের লেন্সের নজর পড়ল শাহরুখের ছোট করে বাঁধা পনিটেলে। ঠিক যেমনটা ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডন’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ছবির ‘মোরিয়া রে’ গানটি মনে নেই এমন শ্রোতা-অনুরাগী খুঁজে পাওয়া দায়! কারণ গত দু’ দশক ধরে মহারাষ্ট্রে গণপতি উৎসবের আমেজ মানেই শাহরুখ খানের সেই ব্লকবাস্টার গান প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে মাস্ট! এবার ‘কিং’ ছবির জন্যেও হালকা চুল বড় করতে হয়েছে বাদশাকে। আর শুক্রবার গভীর রাতে তেমন লুকে ধরা দিয়েই ‘ডন’-এর স্মৃতি ফেরালেন শাহরুখ। যে ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত আপাতত নেটপাড়ায় চর্চার শিরোনামে। নিরাপত্তাবলয় বেষ্টিত হয়ে অভিনেতাকে এক পুজো প্যান্ডেলে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তবে গত একমাস ধরে ভাঙা হাতে ক্যামেরার সামনে ধরা দিলেও, এবার চোট সারতেই ব্যান্ডেজ উধাও তাঁর হাত থেকে।
View this post on Instagram
আপাতত চলতি বছর শাহরুখ খানের কোনও সিনেমা রিলিজ না থাকলেও ছেলে আরিয়ান খানের বলিউড ডেবিউ নিয়ে বেজায় উচ্ছ্বসিত বাদশা। খবর, কিং খান নিজেই নাকি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি সাজাচ্ছেন ‘ব্যাডস অফ বলিউড’-এর জন্য। সম্প্রতি আরিয়ান খান পরিচালিত সিরিজের প্রি-টিজার লঞ্চের অনুষ্ঠানেও শাহরুখের সেই উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে। ‘সিম্বা’র হয়ে গলা ফাটিয়ে ‘মুফাসা’কে বলতে শোনা গিয়েছিল, “আমি ধন্য যে এই পবিত্র দেশে, মুম্বইয়ের এই পুণ্যভূমিতে, বিগত ৩০ বছর ধরে আমি আপনাদের বিনোদিত করার সুযোগ পেয়েছি। আজ ভীষণ বিশেষ দিন। কারণ এই পুণ্যভূমিতে আমার ছেলেও পা রাখছে। খুব ভালো ছেলে এবং পরিশ্রমীও। তাই আরিয়ানের কাজ যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে হাততালি দেবেন। আর ওই করতালির মধ্যে আমার ছেলের জন্য একটু আশীর্বাদও রাখবেন দয়া করে। একটু প্রার্থনা করবেন ওর জন্য। এযাবৎকাল আমাকে যতটা ভালোবাসা দিয়েছেন, তার ১৫০ শতাংশ আমার ছেলেকে দেবেন।”