অভিষেক চৌধুরী, কালনা: এবার গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নিশানায় মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখ। বললেন, “সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে মারলে হাজারটা সিদ্দিকুল্লা তৈরি হবে।” সিপিএম সরকারের পতনের কথা মনে করিয়ে বললেন, “সিপিএমকে ফেলতে পেরেছে। এক খণ্ড নেতাকে উপড়ে ফেলতে সময় লাগবে না।”
মাস দুয়েক আগে কালনার মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামে দলীয় কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁর গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়। সেই ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিকেলে মালডাঙায় কর্মিসভায় তা নিয়েই সরব হলেন মন্ত্রী। মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখকে নিশানা করে বললেন, “ দলের সঙ্গে জুলুমবাজি করলে জনগণ উপড়ে ফেলে দেবে। সিপিএমকে ফেলতে পারে। এক খণ্ড নেতাকে ফেলতে সময় লাগবেনা। ” এরপরই তিনি বলেন, “নিজেকে সংযত না করলে নিজের ক্ষতি হবে।” সিদ্দিকুল্লার কথায়, “মন্ত্রীর পরামর্শের প্রয়োজন হবে না। দলই তাঁদের হাত পা ভেঙে দিয়ে চলে যাবে।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীসের এত রাগ তাঁর উপর? এরপরই কোনও নেতা ধমকালে ফোন করে জানানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী। সিদ্দিকুল্লা বলেন, “ আপনারা আমাদের ফোন নম্বর পাবেন। ফোন করবেন, জানাবেন কোন নেতা আপনাকে ধমক দিয়েছে। দেখতে চাই সে কত বড় লাটসাহেবের নেতা! এত বড় স্পর্ধা!” অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যেয়র সুরে সুর মিলিয়েই বুঝিয়ে দিলেন, ব্যক্তি নয়, দলই উর্ধ্বে। অন্যায় করলে শাস্তি পেতেই হবে।