Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Delhi Police

মদ্যপ পুলিশের গাড়ি ঢুকে পড়ল চায়ের দোকানে! দিল্লিতে বেঘোরে প্রাণ গেল চা বিক্রেতার

তড়িঘড়ি দুই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৫:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৫:৩১

options
link
মদ্যপ পুলিশের গাড়ি ঢুকে পড়ল চায়ের দোকানে! দিল্লিতে বেঘোরে প্রাণ গেল চা বিক্রেতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইন রক্ষার দায়িত্ব যাদের উপর, সেই তাদের যথেচ্ছাচারে দিল্লিতে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। দুই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গাড়ি নিয়ে রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানে ধাক্কা মারেন তাঁরা। তাতেই ওই দোকানে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই মুখ পোড়ে দিল্লি পুলিশের। তড়িঘড়ি দুই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ দিল্লির রামকৃষ্ণ আশ্রম মেট্রো স্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। তাও আবার কর্তব্যরত অবস্থায় এই কাণ্ড ঘটান দুই পুলিশকর্মী। বুধবার রাতে পুলিশ কন্ট্রোল রুম (পিসিআর) ভ্যানে চড়ে টহল দিতে বেরিয়েছিলেন ওই দুই পুলিশকর্মী। আচমকা রাস্তার ধারের একটি চায়ের দোকানে ধাক্কা মারে পুলিশের ভ্যান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গঙ্গারাম তিওয়ারি নামে এক চা বিক্রেতার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই সময় দোকানে থাকলেও প্রাণে বেঁচে যায় চা বিক্রেতার ছেলে। সে জানিয়েছে, পিসিআর ভ্যানে দু’জন পুলিশকর্মী ও এক মহিলা ছিলেন। সকলেই মত্ত অবস্থায় ছিলেন। গাড়িটি সোজা ফুটপাতে উঠে পড়ে। এতেই মৃত্যু হয় তার বাবার। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হন তিনি। খবর পেয়ে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করা হয়েছে অভিযুক্ত দুই পুলিশকর্মীকে। তাঁদের মধ্যে একজন এএসআই, অন্য জন কনস্টেবল। চা বিক্রেতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.