Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
Kantara: Chapter 1

‘কান্তারা’ দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ‘দৈব সাজে’ ভক্ত! নেটপাড়ার চোখরাঙানি ‘ঈশ্বরকে নিয়ে ঠাট্টা নয়’

প্রচলিত বিশ্বাস, ভাবাবেগে আঘাত। বিতর্ক তুঙ্গে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২৫, ১৮:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২৫, ১৮:১৯

options
link
‘কান্তারা’ দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ‘দৈব সাজে’ ভক্ত! নেটপাড়ার চোখরাঙানি ‘ঈশ্বরকে নিয়ে ঠাট্টা নয়’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কান্তারা’ জ্বরে কাঁপছে গোটা দেশ। দশেরা উপলক্ষে সদ্য মুক্তি পেয়েছে ঋষভ শেট্টি পরিচালিত তথা অভিনীত ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ওয়ান’। আর মাত্র চার দিনেই ৩০০ কোটির দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে এই সিনেমা। দক্ষিণের পাশাপাশি হিন্দি বলয়ের বক্স অফিসেও অব্যাহত ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ওয়ান’-এর বিজয়রথ। ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবির মতো এক্ষেত্রেও দর্শক, সিনে সমালোচকরাও ঋষভের মার্কশিটে ফুলমার্কস বসিয়েছেন। দলে দলে প্রেক্ষাগৃহ ভরাচ্ছেন সিনেপ্রেমীরা। সোশাল মিডিয়াতেও ‘কান্তারা’র দাপট। এমতাবস্থায় তামিলনাড়ুর এক প্রেক্ষাগৃহের ভাইরাল ভিডিও দেখে ক্ষিপ্ত নেটপাড়া।

সাধারণত কোনও সিনেমা মুক্তি পেলে সেই ছবির তারকাদের লুক অনুকরণ করে সিনেমা হলে ভিড় জমাতে দেখা যায় অনুরাগীদের। ঠিক যেমনটা শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ কিংবা সানি দেওলের ‘গদর’ ছবির সময়ে ঘটেছিল। এরকম উদাহরণ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ভুরি ভুরি। ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ওয়ান’-এর ক্ষেত্রেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এহেন উন্মাদনা চোখে পড়ছে। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর ডিন্ডিগুলের রাজেন্দ্র থিয়েটার থেকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই দেখা যায়, জনৈক ‘দৈব সাজে’ সিনেমা দেখতে এসেছেন। প্রেক্ষাগৃহের গর্ভগৃহে এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত নাচছেন। বেঙ্গালুরুর অঞ্জন থিয়েটারেও ওই একই দৃশ্য দেখা যায়। আর সেই মুহূর্ত নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তুঙ্গে!

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কারও মন্তব্য, ‘ঈশ্বরকে নিয়ে ঠাট্টা নয়’। আবার কারও হুঁশিয়ারি, ‘ভবিষ্যতে যেন দৈব সাজ নিয়ে কোনওরকম রসিকতা না দেখতে হয়।’ কারও কটাক্ষ, ‘এটি কোনও ঐশ্বরিক দৃশ্য নয় বরং তুলুনাডু ঐতিহ্যের উপহাস’। ধর্ম ও দক্ষিণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অপমান করার অভিযোগে একাংশ আবার চোখ রাঙিয়েছেন। আসলে বনদেবতা কিংবা জমি রক্ষকর্তার প্রতীক হিসেবে ‘দৈব’ পুজোর নিয়ম রয়েছে দক্ষিণের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে। মূলত কর্ণাটকে। তাঁদের বিশ্বাস, যে সমস্ত জমির মামলা আদালতও নিষ্পত্তি করতে পারে না, সেগুলি দৈব নৃত্যপরিবেশক ‘গুলিগা’র মাধ্যমে ঈশ্বর সমাধান করে দেন। আর সেই প্রচলিত বিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগ তুলেই একাংশ প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন।

প্রসঙ্গত, ঋষভ শেট্টি এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সতর্কবাণী দিয়েছিলেন যে, “ঈশ্বরের ভবে গুলিগা যেভাবে চিৎকার করেন, সেটা নিয়ে ঠাট্টা করবেন না। কারণ এটা আমাদের সমাজের প্রচলিত বিশ্বাস। কারও ভাবাবেগে আঘাত করা উচিত নয়।” ঠিক যে বিষয়টি নিয়ে তিনি সচেতন করেছিলেন, সেই বিষয়টি নিয়েই এবার বিতর্ক তুঙ্গে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.