Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কুলভূষণের পরিবারকে পাকিস্তানে অপমান, ISI-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সইদ

ভারতের কি উচিত লাদেনের কায়দায় হাফিজকে নিকেশ করা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭, ০৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭, ০৪:৪৪

options
link
কুলভূষণের পরিবারকে পাকিস্তানে অপমান, ISI-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সইদ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুলভূষণ যাদবের মা ও স্ত্রীকে অপমানিত করার জন্য পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র প্রশংসায় পঞ্চমুখ আন্তর্জাতিক জঙ্গি হাফিজ সইদ। ফের একবার পাকিস্তানের স্বরূপ প্রকাশ করে, রাওয়ালপিন্ডিতে পাক সেনার প্রধান ঘাঁটির সামনে একটি জনসভায় এই মন্তব্য করে মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড। তার এই মন্তব্য শোনার পর ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এরপর লাদেনের কায়দায় হাফিজকে নিকেশ করা উচিত ভারতের।

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই সঙ্গে আরও একবার ভারতের বিরুদ্ধে বিষ উগড়ে দেয় সইদ। পাক সংবাদমাধ্যমের কাছে ‘জামাত-উদ-দাওয়া’ প্রধানের অভিযোগ, “একবার পাকিস্তানকে দু’টুকরো করেছে ভারত। এবার বালোচিস্তান ও অন্যান্য প্রদেশকেও পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করছে তারা।”

সদ্য রাজনৈতিক দল গড়ে লাহোর দলীয় কার্যালয় স্থাপন করেছে সইদ। তারপরই পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক সরকারকে এক হাত নেয় আইএসআই ও পাক সেনার মদতপুষ্ট ওই জঙ্গিনেতা। তার মন্তব্য, ভারতকে তুষ্ট করতে ব্যস্ত ইসলামাবাদ। কূটনৈতিক মঞ্চে ভারতের কাছে হার হয়েছে পাক সরকারের। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে সইদ। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি সংগঠন লস্করের নেপথ্যে রয়েছে ওই জঙ্গি নেতা। সম্প্রতি ভোল পালটে ও দিল্লির উদ্বেগ বাড়িয়ে পাক রাজনীতিতে প্রবেশ করে সে। তারপরই কাশ্মীর নিয়ে ইসলামাবাদকে তুলোধনা করে সইদ।

[ইসলামাবাদে মার্কিন দাদাগিরি মানব না, চরম হুঁশিয়ারি পাক সেনার]

তার বক্তব্য, ১৯৯৪ সালে সইদ যখন আমেরিকায় যায়, তখনই কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সরব হয়। আর আজ কাশ্মীর সমস্যায় ভারতের হয়েই সওয়াল করছে আমেরিকা। কূটনৈতিকভাবে চরম হার হয়েছে পাকিস্তানের। উল্টোদিকে পাকিস্তান কী করছে? না, তাদের ও তাদের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রীর চেষ্টা একটাই। যেভাবে হোক ভারতকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ঠান্ডা রাখো যাতে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুখ না খোলে। অথচ ভারতকে পাল্টা আক্রমণ করার কোনও চেষ্টাই পাকিস্তানের কূটনীতিক ও সরকারের মধ্যে নেই। ফলে দুনিয়ার সব দেশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে পাকিস্তান সত্যিই সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র।

কিছুদিন আগে নিজস্ব রাজনৈতিক দল খুলেছে হাফিজ। নয়া দলের নাম মিল্লি মুসলিম লিগ (এমএমএল)। তার দাবি, পাকিস্তানে আর যে সব মুসলিম লিগ আছে, সবকটিই জাল। পাক-বিরোধী কাজকর্মে যুক্ত। হাফিজের আরও বক্তব্য, ‘মহম্মদ আলি জিন্না চেয়েছিলেন কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ হোক, আমি জিন্নার নীতি মেনেই কাজ করছি।’ অন্য মুসলিম লিগগুলি জিন্নার প্রকৃত উত্তরাধিকারী নয় বলেও দাবি করেছে সে। হাফিজ বলেছে, সে জিন্নার স্বপ্ন পূরণ করতে, কাশ্মীরকে ভারত থেকে ছিনিয়ে নিতে যা যা করতে হয় তাই’ই করবে।

উল্লেখ্য, আমেরিকার পাকিস্তান বিশেষজ্ঞ কূটনীতিকরা এবং পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই জানিয়েছিল, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নাম লেখাতে চায় হাফিজ। সে ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতে চায়। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জিততে চায়।

[বাংলাদেশে পরকীয়ার অভিযোগে যুবতীকে চাবুক মেরে খুন]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.