Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

ভাল-খারাপ ছোঁয়া বোঝাতে তথ্যচিত্র স্কুলে, মেট্রোতেও সচেতনতা

এতে কি জিডি বিড়লা, এম পি বিড়লার মতো ঘটনা রোখা যাবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭, ০৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭, ০৪:৪৪

options
link
ভাল-খারাপ ছোঁয়া বোঝাতে তথ্যচিত্র স্কুলে, মেট্রোতেও সচেতনতা zoom

শ্রীষিতা ঘোষ: একরত্তি বয়স থেকেই যৌন নির্যাতন, ভাল-খারাপ স্পর্শের ফারাক সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছে রাজ্য মহিলা কমিশন। আর তাই রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ সংক্রান্ত তথ্যচিত্র দেখানোর সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। সম্প্রতি রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর থেকে তথ্যচিত্র নির্মাণের বিষয়ে সিলমোহর মিলেছে। স্কুল-কলেজে তা প্রদর্শন করার জন্য শিক্ষা দপ্তরের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব রাখতে চলেছেন কমিশনের শীর্ষকর্তারা। জিডি বিড়লা, এম পি বিড়লা স্কুলের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতেই এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

[ফাঁস ‘ভুতুড়ে’ বেগুনকোদরের রহস্য, সামনে এল ভয়ঙ্কর চক্রান্ত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়। প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে রীতিমতো ওয়ার্কশপ করে সেখানকার মহিলাদের এই তথ্যচিত্র দেখানো হবে। যৌন নির্যাতন কী, কত ধরনের, ধর্ষণ, গার্হস্থ্য হিংসা সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করা হবে। একইসঙ্গে সচেতনতা বাড়াতে শহরের মেট্রো স্টেশনের টিভিতেও এটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর চালানো হবে। প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্র শুরুর আগেও এই তথ্যচিত্রটি দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়, ‘তথ্যচিত্রটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, মার্চ মাসের মধ্যে তা শেষ  হয়ে যাবে। রাজ্যের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে এই এক মিনিটের তথ্যচিত্রটি দেখানো হবে। মেট্রো স্টেশনের টিভি, কমিশনের বিভিন্ন ওয়ার্কশপেও তা দেখানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

লীনাদেবী জানিয়েছেন, তথ্যচিত্র দেখানোর পাশাপাশি মেয়েদের সঙ্গে বিষয়গুলি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করা হবে। সেমিনার করে শিশুদের বোঝানো হবে ‘গুড টাচ’ ও ‘ব্যাড টাচ’-এর ফারাকও। বয়সে একটু বড় ছাত্রীদের গার্হস্থ্য হিংসা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি সম্পর্কে অবহিত করা হবে। ইতিমধ্যে রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের ওয়ার্কশপ শুরু করেছে কমিশন। কৃষ্ণনগর কলেজে প্রায় হাজারখানেক ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ওয়ার্কশপ হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের ছাত্রীদের সঙ্গেও এ নিয়ে আলাপ-আলোচনায় বসবে কমিশন। ইতিমধ্যেই হাওড়া গার্লস-সহ একাধিক স্কুল থেকে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব এসেছে। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, জানুয়ারি মাস থেকে স্কুলে স্কুলে আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে।

[ধর্মের নামে অশান্তি রুখতে পদক্ষেপ, কলকাতায় নিষিদ্ধ অস্ত্র মিছিল]

এদিকে মহিলা কমিশনের পাশাপাশি স্কুলে স্কুলে সচেতনতার প্রসারে সেমিনার করে ‘গুড টাচ’ ও ‘ব্যাড টাচ’-এর ফারাক বোঝাতে উদ্যোগী হয়েছে স্টেট কমিশন ফর দি প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (এসসিপিসিআর)-ও। এক্ষেত্রে ম্যানিকুইন বা মানব-পুতুল এনে কচিকাঁচাদের হাতেকলমে দেখানো হবে সবটা। শিশু নির্যাতন রোধে ‘প্রোটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট’ বা (পকসো) আইনকে সিলেবাসে নিয়ে আসার কথা ভাবছে স্কুলশিক্ষা দপ্তরও।  শহরের দুই নামকরা স্কুলে শিশু নির্যাতন-কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরই সমাজের সর্বস্তরে ভাল ও খারাপ স্পর্শের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনও উন্নত দেশে নার্সারি থেকে শিশুদের এই বিষয়ে সচেতন করা হয়। ব্যক্তিগতভাবে কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অবশ্য স্কুলে স্কুলে ঘুরে এই বিষয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করার চেষ্টা করে। কিন্তু সার্বিকভাবে এর আগে কোনও উদ্যোগ সরকারের তরফে নেওয়া হয়নি এই রাজ্যে। সেদিক থেকে মহিলা কমিশন ও এসসিপিসিআরের এই উদ্যোগ শিশু ও মহিলাদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটা বড় মাইলস্টোন হতে চলেছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নতুন বছরে উপহার, কলকাতায় সারারাত চলবে সরকারি বাস

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.