সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘চিন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর’-এর (CPEC) ক্ষতি করার সবরকমভাবে চেষ্টা করছে ভারত। শুক্রবার ফের এই অভিযোগ করল পাকিস্তান। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী এহসান ইকবাল এই অভিযোগ করে বলেন, ভারত যতই চেষ্টা করুক না কেন সিপিইসি-এর কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। কারণ, পাকিস্তানের দেশপ্রেমিক জনগণ ভারতের সব চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেবে। তিনি বলেন, ভারত আফগানিস্তানের মাটিকে ব্যবহার করে সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসবাদীদের মাধ্যমে সিপিইসি-এর পরিকাঠামোগত ক্ষতি করছে। চালাচ্ছে নাশকতা। সিপিইসি তৈরিতে ব্যস্ত চিনা প্রযুক্তিবিদ ও ইঞ্জিনিয়ারদের উপর হামলা চালাচ্ছে ভারতের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা।
[কুলভূষণের পরিবারকে পাকিস্তানে অপমান, ISI-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সইদ]
সন্ত্রাসদমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকা তার জোটসঙ্গী পাকিস্তানকে হুমকির ভাষায় কথা বলছে। এক জোটসঙ্গী, আরেক জোটসঙ্গীকে এই ভাষায় কথা বলে না। আমেরিকার উচিত পাকিস্তানের ত্যাগ স্বীকারকে মনে রাখা। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাকিস্তানের বিপুল রক্তক্ষয় হয়েছে। ৯/১১-এর পর পাকিস্তান আমেরিকার জন্য যুদ্ধ করেছে। অনেক ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করেছে। আমেরিকার উচিত সে সব মনে রেখে বন্ধুর মতো পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবহার করা। তিনি বলেন, সিপিইসি গোটা দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক সম্ভাবনা ও বিকাশের প্রতীক। এই করিডর আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তার করার কথা ভাবছে চিনও। ভারতের কাছেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সিপেক প্রকল্পে যোগ দেওয়ার জন্য। ইকবাল বলেন, আফগানিস্তান ওভারত বুদ্ধিমান হলে এই প্রকল্পে যোগ দেবে। কারণ এতে সব দেশই আর্থিক ও বাণিজ্যিকভাবে উপকৃত হবে।
চিন এখন সিপিইসি-কে প্রসারিত করার পরিকল্পনাকে মাথায় রেখে পাক-আফগান আলোচনায় সহায়ক ভূমিকা নিতে তৎপর। সেই সূত্রেই তিন দিন আগে প্রথম বার বেজিংয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও চিনের বিদেশমন্ত্রীরা বৈঠক করলেন। আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টির পাশাপাশি এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে জোর দেওয়া হয় সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করার দিকে।
[বাংলাদেশে পরকীয়ার অভিযোগে যুবতীকে চাবুক মেরে খুন]