আলিপুরদুয়ারের সুভাষিণী চা বাগানে জনতার মাঝে মুখ্যমন্ত্রী, শিশুদের দিলেন খেলনা, বড়দের ত্রাণবিলি
রইল সেই ছবি।
এদিন দুপুরে উত্তরবঙ্গের হাঁসিমারা সেনাছাউনিতে নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের নীলপাড়া কমিউনিটি হলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে বিপর্যয় পরিস্থিতি, মোকাবিলা নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই বিপর্যয়ের সময় ভালো কাজ করার জন্য আটজনকে এদিন পুরষ্কার করা হয়। মঞ্চে তাঁদের ডেকে নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বাসিন্দারাও তাঁদের কথা বলেন। কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা আছেন, সমস্যার কথা জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীও মন দিয়ে তাঁদের কথা শোনেন। দ্রুত পরিস্থিতি উন্নতির আশ্বাসও দেওয়া হয়। হাসিমারা সেনাছাউনি থেকে গাড়িতে রওনা হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একজন রাস্তার ধারে উত্তরীয় নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত বাড়িতে সেই উত্তরীয় গ্রহণ করেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
আরও পড়ুন:
এলাকার বাসিন্দাদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, শাড়ি উপহার হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেসব স্থানীয়দের হাতে তুলে দেন। বাচ্চাদের জন্য ছিল টেডি বিয়ার ও পড়াশোনার উপকরণ। সেসব পেয়ে ছোটরাও যথেষ্ঠ খুশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার মহিলারাও। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
সেখান থেকে বেরিয়ে আলিপুরদুয়ারের মালঙ্গী টুরিস্ট লজে পৌঁছন। সেখানেই রাতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী কয়েক দিন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে থাকবেন। সোমবার নাগরাকাটায় যাবেন, মঙ্গলবার যাবেন মিরিকে। দার্জিলিং, কালিম্পং জেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। বুধ, বৃহস্পতিও দার্জিলিংয়ের একাধিক স্থান পরিদর্শন করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। শুক্রবার তিনি কলকাতায় ফিরবেন। তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার
কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা কেন্দ্রের সাহায্যের আশায় বসে থাকি না। আমাদের যা সামর্থ্য, তা দিয়েই মানুষকে যতটা সম্ভব সাহায্য করছি। এখানকার বিপর্যয়ে মোকাবিলায় আগেই নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রচুর রাস্তা, সেতু ভেঙে গিয়েছে। সেইসব সারানোর কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব, আবার সব ঠিক করে দেওয়া হবে।" তথ্য ও ছবি: রাজ কুমার