Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Fighter Jet

মোদির ‘আত্মনির্ভরতা’ সংকল্প, দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন, ৬৫ হাজার কোটির প্রকল্প

১১০০ যুদ্ধবিমানের জন্য নতুন ইঞ্জিনের চাহিদা রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ১৮:৫১

options
link
মোদির ‘আত্মনির্ভরতা’ সংকল্প, দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন, ৬৫ হাজার কোটির প্রকল্প zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদেশ-নির্ভরতায় ইতি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভরতা’ সংকল্পই বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই। ইতিমধ্যে ৬৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও)। ২০৩৫ সালের মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমানের উপোযোগী ইঞ্জিনের নির্মাণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করাই লক্ষ্য।

ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণাগারের অন্যতম কর্তা এসভি রামানা মূর্তি জানিয়েছেন, তেজস-সহ প্রায় ১১০০ যুদ্ধবিমানের জন্য নতুন ইঞ্জিনের চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, “দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধবিমানের জন্য ইঞ্জিনের চাহিদাপূরণই লক্ষ্য। আগামী এক দশকের মধ্য চাহিদা পূরণের জন্য উৎপাদন শুরু করা হবে।” উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জেট ইঞ্জিন নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই পথেই এগোচ্ছে ডিআরডিও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনাকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। স্থল-বায়ু-আকাশ তিন সামরিক ক্ষেত্রেই শক্তি বাড়ানো হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ক’দিন আগেই অত্যাধুনিক ৭.৬২X৫১ এমএম এসআইজি ৭১৭ রাইফেলের জন্য ‘পেচকচক্ষু’ (Knight Sights) কিনতে ৬৫৯.৪৭ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সেনা। এর ফলে অন্ধকারেও আর রেহাই পাবে না জঙ্গি তথা দুষ্কৃতীরা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.