Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Prashant Kishor

বিহার ভোটের মুখে প্রশান্ত কিশোরের প্রশংসায় রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান, নেপথ্যে কি বিজেপি?

হরিবংশ হঠাৎ পিকের প্রশংসা কেন করছেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১২:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১২:০৭

options
link
বিহার ভোটের মুখে প্রশান্ত কিশোরের প্রশংসায় রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান, নেপথ্যে কি বিজেপি? zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: এতদিন তিনি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। সফলভাবে উতরে দিয়েছেন অনেক রাজনৈতিক দলকে। এবার রাজনৈতিক দল গঠন করে সরাসরি ভোট ময়দানে প্রশান্ত কিশোর। নিজে প্রার্থী না হলেও বহু আসনে প্রার্থী দিয়েছেন। তাতে চমকও রয়েছে। ভোট প্রচারে সামনের সারিতে নিয়ে এসেছেন বিহারের জ্বলন্ত কিছু ইস্যু। তার এই ভূমিকায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং।

শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মূল ধরার রাজনৈতিক দলগুলি যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে এড়িয়ে চলছে প্রশান্ত কিশোর সেগুলিকে সামনে সারিতে নিয়ে এসেছেন। মানুষের মধ্যে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটবাক্সে তার প্রতিফলন হবে বলেই মনে করেন হরিবংশ। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় পদত্যাগ করার পর কার্যত নিজের কাঁধে করে রাজ্যসভা চালিয়েছেন হরিবংশ। তার মুখেই শোনা গেল প্রশান্ত কিশোরের প্রশংসা। তার মতে, একটা সময় বিহারে বামপন্থী দলগুলি শক্তিশালী হলেও সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারত না। ভোট বাক্সে তার প্রতিফলন পাওয়া যেত না। এখন সরকার গঠন বা পরিচালনার ক্ষেত্রে বামপন্থী দলগুলি যথেষ্ট ভূমিকা পালন করতে পারে। তার অন্যতম কারণ মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলিকে সামনে নিয়ে আসা। যদিও বামেদের প্রভাব বিস্তার করতে অনেকটা সময় লেগেছিল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখন প্রশান্ত কিশোরের জন্য সুরজ পার্টি সেই কাজ করছে বলে মনে করেন তিনি।তিনি জানান, যেভাবে মানুষের সমস্যাগুলির প্রশান্ত কিশোর সামনে নিয়ে এসেছেন তাতে করে জনমানসে একটা সময় প্রভাব পড়তে বাধ্য। এবার ভোটেও বেশ কয়েকটি আসনের প্রশান্ত কিশোরের দল জিততে পারে বলে মনে করেন তিনি। জন সুরজ পার্টির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানান, জয়প্রকাশ নারায়ণ এবং রাম মনোহর লোহিয়ার নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দল ১৯৬৭ সালের মধ্যে জনগণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছিল। এই কাজ শুরু হয়েছিল পনেরো বছর আগে ১৯৫২ সালে। স্বভাবতই জন সুরাজ পার্টিরও জনমানসে প্রভাব বিস্তার করতে সময় লাগবে।

কিন্তু এখানে প্রশ্ন, হরিবংশ হঠাৎ পিকের প্রশংসা কেন করছেন? নেপথ্যে কি বিজেপির ইন্ধন আছে? হরিবংশ আসলে জেডিইউয়ের নেতা। কিন্তু নীতীশের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ইদানিং বিজেপি নেতৃত্বের কথাতেই তিনি পরিচালিত হচ্ছেন বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। হরিবংশ সমাজবাদী ঘরানার নেতা হওয়ায়, তাঁর প্রশংসা পিকের দলকে কিছুটা হলেও সুবিধা দেবে। রাজনৈতিক মহল এটাও মনে করছে যে পিকের সুবিধা পাওয়ার অর্থ নীতীশের জেডিইউয়ের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। বিজেপি কি ঘুরিয়ে সেটাই করতে চাইছে? শরিককে দুর্বল করে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসি ছিনিয়ে নেওয়ায় কি লক্ষ্য গেরুয়া শিবিরের?

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.