Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

আতসবাজির রোশনাইয়ে বর্ষবরণ দুনিয়াভর, পথ দেখাল সামোয়া

বিশ্বের নানা প্রান্তে সেলিব্রেশনের টুকরো কোলাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৭, ১২:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৭, ১২:১০

options
link
আতসবাজির রোশনাইয়ে বর্ষবরণ দুনিয়াভর, পথ দেখাল সামোয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসের থাবা আর যেন হানা না দেয় বিশ্বের কোনও প্রান্তে। এই কামনা নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব। নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন শুরু হল দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট অফ সামোয়া থেকে। এখানে সবার আগে মধ্যরাত হয়। এখান থেকে শুরু হল নিউ ইয়ার ব্যাশ। ছোট্ট এই দ্বীপপুঞ্জ সবার আগে মাতল নিউ ইয়ার উদযাপনে। মজার কথা হল, আমেরিকার মূল ভূখণ্ড থেকে এই দ্বীপটির দূরত্ব মাত্র এক ঘণ্টার বিমানযাত্রার। তাই চাইলেই প্রথমে সামোয়াতে নিউ ইয়ার কাটিয়ে, এক ঘন্টার বিমানে চড়ে ফের আমেরিকাতে ফিরে গিয়ে কেউ দ্বিতীয়বার উৎসবে মেতে উঠতে পারেন।

[ফিরে দেখা ২০১৭: বছরভর দাপট দেখিয়েছিল যেসব ভুয়ো ঘটনা][

নিউ ইয়ার সেলিব্রেশনে অবশ্য পিছিয়ে নেই কেউই। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, টোকিও, বেজিং, হংকংয়ে জমে উঠেছে আতসবাজির খেলা। প্যারিস, রোম, দুবাই, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলসের রাজপথে উৎসবমুখর জনতার ঢল। প্রতি বছরের মতো এবার নিউজিল্যান্ডেই সবার আগে নতুন বছরের বর্ণাঢ্য উদযাপন শুরু হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। স্থানীয় ব্যান্ডের গানে মুখরিত অকল্যান্ডের রাস্তা। তবে এবছর কুইন্সল্যান্ড, ফ্র্যাঙ্কটন, অ্যারোটাউনের মতো নিউজিল্যান্ডের বেশ কিছু অংশে মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

[ফিরে দেখা ২০১৭: অর্ধেক আকাশে প্রাপ্তির আলো]

এছাড়া অস্ট্রেলিয়াতেও জমে উঠেছে নিউ ইয়ার ইভ। সিডনির সারকুলার কোয়ে-তে ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছেন আতসবাজির খেলা দেখবেন বলে। এবছর সেখানে সাতরঙা বাজি পুড়বে। সদ্য অস্ট্রেলিয়াতে সমলিঙ্গে বিয়েকে স্বীকৃত বলে মেনে নেওয়ার উদযাপনের সঙ্গে মিলেমিশে যাবে নয়া বছরকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠান। অস্ট্রেলিয়াতে এবছর বেশ গরম পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য সে সবকে থোড়াই কেয়ার করেন! বিয়ারের গেলাস হাতে মানুষের ঢল নেমেছে রাস্তায়। কিন্তু কানাডাতে চিত্রটা আবার একটু আলাদা। এবছর সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়েছে সেখানে। কানাডার কিছু অংশ তো নতুন বছরের পয়লা তারিখে মঙ্গলগ্রহের চেয়েও বেশি শীতল।

[নতুন বছরে যদি এগুলো ঘটে তবে কেমন হয়?]

জার্মানিতেও সবকটি ক্যাথিড্রালের বাইরে মানুষের লম্বা লাইন। স্থানীয় শিল্পীদের হাতে শান্তির প্রতীক আঁকা পোস্টার। ‘সহিষ্ণুতা’, ‘স্বাধীনতা’র দাবিতে সোচ্চার শিল্পীরা। কোলন ক্যাথিড্রাল এখানকার সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা। সেখানেই শিল্পীরা তাঁদের আঁকা পোস্টার ও সাধারণ মানুষের স্বাক্ষর নিয়ে জড়ো হবেন। বার্লিনে নিউ ইয়ার ইভ উদযাপনে ব্রান্ডেনবুর্গ গেট-এর সামনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তৈরি সন্ত্রাস বিধ্বস্ত বাগদাদও। শোর্জা বাজারে কেনাকাটায় ব্যস্ত যুবক-যুবতীরা। এটাই বোধহয় উৎসবের সেরা ছবি। যেখানে মিলেমিশে এক হয়ে যায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য।

[ফিরে দেখা ২০১৭: বছরভর কূটনীতির চালে কিস্তিমাতের কাহিনি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.