Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asim Munir

পাক সেনাপ্রধান মুনিরকে সম্মুখ সমরের চ্যালেঞ্জ তালিবানের, টিটিপি-র কামড়ে কি ক্ষতবিক্ষত হবে পাকিস্তান?

মুনিরকে হুমকি দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে টিটিপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ১৫:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ১৫:২৪

options
link
পাক সেনাপ্রধান মুনিরকে সম্মুখ সমরের চ্যালেঞ্জ তালিবানের, টিটিপি-র কামড়ে কি ক্ষতবিক্ষত হবে পাকিস্তান? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাথাব্যাথার অন্যতম বড় কারণ আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট তেহরিক-ই-তালিবান (টিটিপি) জঙ্গিগোষ্ঠী। তাদের হামলায় একাধিকবার রক্তাক্ত হয়েছে পাকিস্তান। এবার সরাসরি পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে তারা চ্যালেঞ্জ করল। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, “ক্ষমতা থাকলে আমাদের সঙ্গে সামনে এসে লড়াই করুন।” এবার কি তাহলে পাকিস্তানের বুকে বড়সড় কামড় বসাতে চলেছে টিটিপি? জঙ্গিগোষ্ঠীর নতুন এই হুমকির পরই প্রশ্নটি এখন উঠতে শুরু করেছে।

মুনিরকে হুমকি দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে টিটিপি। সেখানে জঙ্গিগোষ্ঠীর মোস্ট ওয়ান্টেড এক নেতা কাজিম বলেন, “বুকের পাটা থাকলে আমাদের সামনে আসুন।” এরপরই তার হুঁশিয়ারি, “ক্ষমতা থাকলে আমাদের সঙ্গে লড়াই করুন।” উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এই কাজিমের মাথার দাম ১০ কোটি পাকিস্তানি রুপি ধার্য করেছে পাক সরকার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালিবান, বালোচ লিবারেশন আর্মির মতো স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলি পাক সেনার অত্যাচারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরব। যার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বারবার হামলার শিকার হয় পাক সেনা। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার এই অঞ্চলে হামলার মুখে পড়েছে পাক সেনা। মৃত্যু হয়েছে বহু জওয়ানের। পালটা এই জায়গাগুলিতে সামরিক অভিযান আগের চেয়ে অনেক বাড়িয়েছে শাহবাজ সরকার। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে, দারাবানে একটি অভিযানে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। পাক সেনা দাবি করে, মৃতরা চরমপন্থী গোষ্ঠীর সদস্য। এপ্রিলেও ডেরা ইসমাইল খানের তাকওয়ারা এলাকায় অভিযানে মৃত্যু হয় ৯ জনের।  

এদিকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনাকে তাড়ানোর পর আফগানিস্তানের শাসনভার উঠেছে তালিবানের হাতে। পাকিস্তানের আশা ছিল আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতায় এলে পাকিস্তানকে সমর্থন করবে তারা। পাকিস্তানের মাটিতে থাকা সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরগুলি আফগানিস্তান থেকে পরিচালনা করা যাবে। সেখানকার সশস্ত্র সংগঠনগুলিকে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে। যদিও বাস্তবে তা হয়নি। বরং অতীতের মতো ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছে তালিবান। তাতে ক্ষেপে উঠেছে পাকিস্তান। ডুরান্ড লাইনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চরম আকার নিয়েছে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি হলেও উত্তেজনা এখনও কমেনি। তার মধ্যেই মুনিরকে হুঁশিয়ারি দিল টিটিপি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.