সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মিনারেল ওয়াটারের নামে বোতলে ভরা হত সাধারণ কলের জল। কিছু রাসায়নিক ও ওষুধ মিশিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর কারবার রমরমিয়ে চলছিল। অবশেষে সেই চক্রের পর্দা ফাঁস হল উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায়।
[যাদবপুরে শোরগোল, তান্ত্রিকের নাম করে গয়না ও নগদ টাকা লুট]
আমডাঙার সন্তোষপুর এলাকায় বেশ কিছু দিন ধরে নকল জলের কারবার সক্রিয়। এই খবর কানে এসেছিল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের কাছে। জানা গিয়েছিল অস্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে জল বোতলজাত করা হচ্ছে। পুলিশি হানায় হাতেনাতে ধরা পড়ে দুই কর্মী। তবে কারখানার মালিক সন্দীপ বাগ বিপদ বুঝে গা ঢাকা দেয়। সিল করে দেওয়া হয় বেআইনি কারখানা। প্রচুর বোতল, জার এবং দামি কোম্পানির লেবেল আটক করা হয়। পুলিশ জানতে পেরেছে সাধারণভাবে মাটির নিচ থেকে জল তুলে ট্যাঙ্কে ভরা হত। সেই জলে ট্যাপে করা হত বোতল ও জারে। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে নামমাত্র একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে চলছিল কারবার। অথচ মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসার জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। আমডাঙা এবং লাগোয়া এলাকায় ওই সংস্থা কারবার ফেঁদেছিল। মূলত ২০ লিটারের জল বিক্রি করা হত। পাশাপাশি কোনও মিনারেল ওয়াটার কারখানায় কেমিস্ট রাখার নিয়ম রয়েছে। ওই সংস্থায় এসবের কোনও বালাই ছিল না। এমনকী যে জল বিক্রি করা হত তা আর্সেনিকমুক্ত কি না তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

[বর্ষশেষে বিষাদ, পিকনিকের আনন্দের মাঝে দামোদরে তলিয়ে গেল ৫ বন্ধু]
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে কারবার চলত। কারখানার ভিতরে কী চলছে তা বাইরের কেউ টের পেত না। এলাকায় প্রভাব বাড়াতে সন্দীপ বাগ বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজে ব্যস্তে থাকত। কারখানায় বড়সড় করে বিশ্বকর্মা পুজো করা হত। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য লোক ঠকানোর কারবার উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় সক্রিয়। এই অসাধু কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন