Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Oilve Ridley Turtles

বাঁচাতে হবে! ওড়িশার লুপ্তপ্রায় অলিভ রিডলে কচ্ছপ সংরক্ষণে বড় পদক্ষেপ সরকারের

২০২৪ সাল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'ডানা'য় তছনছ হয়ে গিয়েছিল এই কচ্ছপদের বাসস্থান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৬:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৬:২১

options
link
বাঁচাতে হবে! ওড়িশার লুপ্তপ্রায় অলিভ রিডলে কচ্ছপ সংরক্ষণে বড় পদক্ষেপ সরকারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একেই বিরল, তার উপর লুপ্তপ্রায়। উপযুক্ত উপায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করলে আড়ালেই চিরতরে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে অলিভ রিডলে কচ্ছপের দল। তাই তাদের বাঁচাতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ করল ওড়িশা প্রশাসন। আগামী ৭ মাস সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা থেকে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। শনিবারই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। তাতে উল্লেখ, নভেম্বরের প্রথম দিন থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সমুদ্রতট বরাবর ২০ কিলোমিটার জায়গায় মাছ ধরা যাবে না। ওড়িশা সরকারের এই উদ্যোগ সাধুবাদ জানিয়েছেন সামুদ্রিক প্রাণী বিশেষজ্ঞরা।

ওড়িশার উপকূলের বাসিন্দা এই বিরল অলিভ রিডলে কচ্ছপ।

ম্যানগ্রোভ অরণ্য, ভরপুর জীববৈচিত্র্যের কারণে ওড়িশার ভিতরকণিকা ভারতের ‘মিনি আমাজন’ বলে পরিচিত। এখানকার মূল বাসিন্দা নোনা জলের কুমির আর অলিভ রিডলে কচ্ছপ – উভয়েই এখানকার বিশেষত্ব। তার মধ্যে অলিভ রিডলে কচ্ছপ এখানে বিলুপ্তপ্রায়। বিরল এই কচ্ছপ প্রজাতিকে বাঁচাতে ১৯৮৩ সাল থেকে কচ্ছপ বা তাদের ডিম সংগ্রহ, কেনাবেচা সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু ফি বছর তাদের জীবনে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় কোনও না কোনও ঘূর্ণিঝড়। ফণী, অশনি, আমফান থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ডানা – সব ক্ষেত্রেই রিডলে কচ্ছপরা বিপদে পড়ে। ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত দুর্যোগের কারণে সৈকতে কচ্ছপদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ডিম নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই বিপত্তি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো রীতিমতো সংগ্রাম অলিভ রিডলে কচ্ছপদের কাছে। তাই তাদের সাহায্যে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল ওড়িশা প্রশাসন। জানানো হয়েছে, আগামী ৭ মাস সৈকত বরাবর ধর্মা, দেবী, রুশিকুল্যা এবং গহিরমথা এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ। কারণ, বিলুপ্তপ্রায় সরীসৃপগুলো অনেক সময় নিজেদের বিচরণ ক্ষেত্রই মাছ ধরার জাল কিংবা ট্রলারের বলি হয়। ফলে তুলনায় আরও কমে যায় এদের সংখ্যা। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকে জলভূমি, জঙ্গল ও ভেড়ি এলাকায় টহলদারি বেড়েছে। পুলিশ সর্বক্ষণ নজরে রাখছে। সৈকতে একাধিক শিবিরও করা হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.