অর্ণব আইচ: বন্দর এলাকায় খুন কুখ্যাত সমাজবিরোধী আখলিম খান। মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম বন্দর এলাকার সোনাই রোডে একটি পরিত্যক্ত গুদাম থেকে তাঁর গলাকাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সোমবার রাতে অন্য কোনও জায়গায় আখলিমকে গলা কেটে খুন করা হয়। পরে মৃতদেহটি ওই গুদামে ফেলে দিয়ে যায় আততায়ীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের আধিকারিকরা।
[মিনারেল ওয়াটারের নামে সাধারণ জল, অসাধু চক্রের পর্দাফাঁস]
কলকাতা বন্দর এলাকায় ত্রাস ছিল এই আখলিম খান। পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরের বাসিন্দা এই দুষ্কৃতী। বন্দর ও লাগোয়া এলাকায় কার্যত একাধিকপত্য চালাত সে। আখলিমের দাপটে বন্দর এলাকায় ঢুকতেই পারত না অন্য কোনও দুষ্কতী। তোলাবাজি, ছিনতাই, চুরি একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ছিল আখলিম খান। শেষপর্যন্ত, নিজের এলাকায়ই নৃশংসভাবে খুন হয়ে গেল সে। মঙ্গলবার সকালে গার্ডেনরিচের সোনাই রোডে একটি পরিত্যক্ত গুদাম থেকে আখলিম খানের দেহ উদ্ধার করল ওয়েস্ট পোর্ট থানার পুলিশ। মৃতদেহের গলা কাটা ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা। গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হযেছে।
[শিশুর ক্যানসারের নামে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা, ফের সক্রিয় অসাধু চক্র]
কিন্তু, নিজের এলাকায় কীভাবে খুন হয়ে গেল কুখ্যাত দুষ্কৃতী আখলিম খান? পরিত্যক্ত গুদামে মৃতদেহ এলোই বা কী করে? প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আখলিম খানের দাপটে বন্দর এলাকায় ঢুকতে পারত না অন্য দুষ্কৃতীরা। সম্ভবত সেই রাগেই সোমবার রাতে আখলিমের উপর হামলা হয়। তবে ওই পরিত্যক্ত গুদামে তাকে খুন করা হয়নি। অন্য কোনও জায়গায় গলা কেটে খুন করার পর, মৃতদেহটি গুদামে ফেলে দিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এদিকে এই ঘটনায় তুমুল আতঙ্ক ছড়িয়েছে গার্ডেনরিচের সোনাই রোড ও লাগোয়া এলাকায়।
[নতুন বছরে উপহার, কলকাতায় সারারাত চলবে সরকারি বাস