আলিয়া থেকে দীপিকা, গর্ভে সন্তান নিয়েই শুটিং করেছেন বলিউডের আর কোন নায়িকা?
কোন কোন অভিনেত্রী রয়েছেন এই তালিকায়।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৮:১৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৮:১৪
১৮
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পালটেছে বিনোদুনিয়ার অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি। এই সময়ে দাঁড়িয়ে বিয়ে, দাম্পত্য, ব্যক্তিগত জীবন ও মাতৃত্বকে জোর গলায় অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ থেকে বিরতি নিতেও পিছপা হন না তাঁরা। এই তালিকায় বলা যায় এই মুহূর্তে চর্চায় দীপিকা। দেখে নিন সন্তানসম্ভবা হয়েও শুটিং ফ্লোরে কোন কোন অভিনেত্রী দাপটের সঙ্গে অভিনয় চালিয়ে গিয়েছেন।
২৮
প্রবীণ অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। অমিতাভ জায়া তখন ব্যস্ত কালজয়ী ছবি 'শোলে'তে অভিনয় করতে। দাপটের সঙ্গে চালিয়ে গিয়েছেন ওই ছবির অভিনয়। তাঁর গর্ভে তখন প্রথম সন্তান শ্বেতা।
অভিনেত্রী জুহি চাওলা যখন প্রথমবার অন্তঃসত্ত্বা হন তখন একটি নয় দু'টি ছবিতে অভিনয় করছিলেন তিনি। 'আমদানি আঠানি খরচা রুপাইয়া' ও 'এক রিস্তা' ছবিতে জুহি অভিনয় করছিলেন। কিন্তু মঞ্চ ও ক্যামেরা থেকে কোনওভাবেই এইসময় দূরত্ব বজায় রাখেননি জুহি। সমানতালে চালিয়ে গিয়েছেন কাজ।
৪৮
নবাব ঘরনি করিনা কাপুর খান পুরোদমে শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন 'লাল সিং চাড্ডা'র। ২০২২ সাল, বেবো তখন সাড়ে পাঁচ মাসের দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা। গর্ভে তখন তাঁর সন্তান জেহ।
৫৮
মাতৃত্বকে উপভোগ করাকে কাজের থেকেও বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। গলা চড়িয়েছেন তিনি এই নিয়ে। কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় পুরোদমে 'কল্কি' ছবির প্রচার চালিয়েছেন দীপিকা।
বলিউড এবং হলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমানতালে গর্ভাবস্থায় শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন আলিয়া ভাট। একদিকে করেছেন 'রকি আউর রানি কি প্রেম কাহানি' অন্যদিকে 'হার্ট অফ স্টোন'র শুটিং। অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়েও পিছিয়ে থাকেননি আলিয়া।
৭৮
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জনপ্রিয় টিভি শো 'রোডিজ'র শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন নেহা ধুপিয়া। ঘুণাক্ষরেও প্রথমের দিকে কেউ টের পাননি তাঁর সন্তানসম্ভবা হওয়ার মতো বিষয়। যখন তা জানাজানি হয় নেহা তখন সাড়ে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
৮৮
সন্তানসম্ভবা অবস্থায় শুটিং চালিয়েছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমও। ২০২৪ সালের 'আর্টিকেল ৩৭০' ছবির শুটিং কিছুটা বাকি। সেইসময় গর্ভে সন্তান নিয়েই শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন ইয়ামি। ছবি: সোশাল মিডিয়া
একেবারে হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী জলপাইগুড়ির গরুমারা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন রামশাই বারো হাতিএলাকায়।
৪৭
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার একটি বাড়ির পাশের মাঠে বিরাট আকারের কিং কোবরা সাপটিকে দাড়াশ সাপটিকে গিয়ে খেতে দেখা যায়। যা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজন।
৫৭
দ্রুত খবর দেওয়া হয় বনকর্মীদের। আসেন পরিবেশকর্মীরাও। দুটি সাপকেই সুস্থ অবস্থায় দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। তা করতেও বেশ কিছু সময় কেটে যায়।
যদিও শেষমেশ সফল হন বনকর্মীরা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ''একটি কিং কোবরা ছিল। শিকার ধরার সময় দাড়াশ সাপটিকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু মানুষজনের আতঙ্কে গর্তে ঢুকে পড়ে সেটি।''
৭৭
আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, ''মোবাইল স্কোয়াড-সহ বনকর্মীরা ছুটে আসেন। সাপটি সুস্থ রয়েছে।'' প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুনরায় কিং কোবরা সাপটিকে গরুমারার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
উত্তর সিকিমে অতিভারী তুষারপাতে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা, বরফ সরাতে নামল সেনা
লাচেনে তাপমাত্রা মাইনাস ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৭:৪৮
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৭:৪৮
১৭
উত্তর সিকিমে অতিভারী তুষারপাতে বিপর্যস্ত জনজীবন। বুধবার 'আইস কাটার' নামিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার অভিযানে নেমেছে সেনাবাহিনী ও বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন।
২৭
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি দেখে বিশেষজ্ঞরাও হতবাক। একাংশের মনে প্রশ্ন উঁকি দিতে শুরু করেছে, তবে কি সম্প্রতি মার্কিন 'ন্যাশনাল ওসানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের গবেষণায় যে আশঙ্কা উঠে এসেছিল, সেটাই সত্যি হতে চলেছে!
মার্কিন সংস্থার তরফে বলা হয়েছিল ২০২৫-২০২৬ সালের শীতে দার্জিলিং ও সিকিমে স্বাভাবিকের চেয়ে ঠান্ডা এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকতে পারে। ইতিমধ্যে একটানা তুষারপাতের কবলে উত্তর ও পূর্ব সিকিম। মঙ্গলবার রাত থেকে চলছে দফায় দফায় অতি ভারী তুষারপাত।
৪৭
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দিনে পূর্ব সিকিমের নাথু-লার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শেরথাংয়ে মাইনাস ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছাঙ্গু উপত্যকায় জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে উত্তর সিকিমের উঁচু এলাকায় তাপমাত্রা অনেক বেশি নেমেছে।
৫৭
এদিন দিনে লাচুংয়ের উঁচু এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, প্রায় একই পরিস্থিতি জিরো পয়েন্টে। লাচেনের উঁচু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে মাইনাস ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। কয়েকদিন থেকেই উত্তর এবং পূর্ব সিকিমের উঁচু এলাকায় তুষারপাত চলছে। তারই প্রভাবে দ্রুত নামছিল তাপমাত্রা।
মঙ্গলবার রাত থেকে পরিস্থিতির অবনতি হয় উত্তর সিকিমে। অতি ভারী তুষারপাতে সড়কপথ পুরু বরফের আস্তরণে তলিয়ে যায়। সকাল থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে 'আইস কাটার' মেশিন নিয়ে যৌথ অভিযানে নামে সেনাবাহিনী ও বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন। স্থানীয় গ্রামবাসী, স্কুল পড়ুয়া এবং রোগীদের জন্য পাহাড়ি রাস্তা খোলা রাখার জন্য বরফের চাই কেটে সরানোর কাজ চালিয়ে যায় তারা। প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ, স্বাস্থ্য পরিষেবা অব্যাহত রয়েছে।
৭৭
জানা গিয়েছে, উত্তর সিকিমে লাচুং থানার ইউমিসামডং এলাকা ও চুংথাং-এ ভারী তুষারপাত হয়েছে। চারিদিক বরফে ঢেকে গিয়েছে। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, গাছপালা সব কিছুই বরফে ঢেকেছে। তুষার জমে রাস্তাঘাট পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পর্যটক এবং পরিবহন মালিকদের উঁচু স্থানে ভ্রমণ এড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। ওই কারণে এদিন ভারী তুষারপাতের এলাকায় পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়নি। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন ওই রাস্তাগুলি পরিষ্কার রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।