সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের টি-টোয়েন্টি টিমের এক নম্বর মহাতারকা ব্যাটার অভিষেক শর্মা প্রায়শই বলেন, তাঁর জীবনে যুবরাজ সিংয়ের অবদানের কথা। অভিষেককে বলতে শোনা গিয়েছে, কীভাবে তাঁর ক্রিকেট আমূল বদলে দিয়েছেন ২০১১ বিশ্বকাপের ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট। এবার যুবরাজ বলে দিলেন, অভিষেককে তালিম দিতে দিতে কীভাবে কোচিংয়ের খুঁটিনাটি জেনেবুঝে গিয়েছেন তিনি।
অজি সফরের মাঝেই গুরু-বন্দনা পেয়ে গেলেন অভিষেক। বুধবার যুবরাজ বলে দিয়েছেন, লোকে গত এক বছরের অভিষেককে দেখে বিস্মিত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তার নেপথ্যে প্রচুর পরিশ্রম ছিল। ‘‘গত চার-পাঁচ বছর ধরে অভিষেক নিজের ব্যাটিং নিয়ে খাটাখাটনি করে যাচ্ছে। লোকে গত আট-ন’মাসের কথা বলছে। কিন্তু তার নেপথ্যে বছরের পর বছর ধরে কতটা পরিশ্রম মিশে রয়েছে, অনেকে জানেন না। প্রথম প্রথম আমি অভিষেক আর শুভমানের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিতাম। তখনও খেলা চালিয়ে যাচ্ছি। পুরোপুরি অবসর নিইনি,’’ বলে দিয়েছেন চুয়াল্লিশ বছরের অতীত তারকা।
‘‘আমি তো বলব, অভিষেকের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমি নিজেও কোচিংয়ের ব্যাপার-স্যাপারগুলো জেনে গিয়েছি। জেনেছি, কোচ হতে গেলে কী কী করতে হয়? বা মেন্টর হতে গেলে কী করা দরকার? আমি নিজেও শিখেছি, একজন উঠতি প্রতিভাকে কী করে সাহায্য করতে হয়? যে ওয়ার্ক এথিক এখন অভিষেকের থেকে দেখছেন আপনারা, তা কিন্তু গত ছ’আট মাসের নয়। গত পাঁচ-ছ’বছর ধরে চলছে,’’ সঙ্গে যোগ করেছেন যুবরাজ।
অভিষেকের ব্যক্তিগত জীবনকেও শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছিলেন তিনি। তবে শুধু যুবরাজের শিক্ষা নয়, ভারতের তরুণ তুর্কির একাগ্রতা ও নিষ্ঠার জন্যই আজকের এই সাফল্য। আইপিএলে অভিষেকের সাফল্যের পর তাঁর বাবা রাজকুমার শর্মা ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজ সিংকে। অভিষেকের বেড়ে ওঠায় যুবরাজের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের বিশেষ তালিম নিয়েছেন যুবির কাছেই। যুবরাজ যেমন বিপক্ষ বোলারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতেন, অনেকটা তেমনই তাঁর শিষ্য।