ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: SIR উদ্বেগে রাজ্য জুড়ে একের পর এক প্রাণহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। তার প্রতিবাদে ইতিমধ্যে পথে নেমে মিছিল করেন মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার একটি বিশেষ কমিটি গঠন করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ওই কমিটির সদস্যরা এসআইআর ‘আতঙ্কে’ মৃতদের পরিবারের কাছে যাবেন। আর্থিক সাহায্যেরও বন্দোবস্ত করা হবে।
শনিবার মোট পাঁচটি স্বজনহারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূল নেতানেত্রীরা। গত ২৮ অক্টোবর, আগরপাড়ায় নিজের বাড়ি থেকে প্রদীপ কর নামে এক প্রৌঢ়ের দেহ উদ্ধার হয়। সুইসাইড নোটও পাওয়া যায়। ওই নোটেই উল্লেখ ছিল এসআইআর ‘আতঙ্কে’র কথা। তাঁর মৃত্যুর পর ‘জাস্টিস ফর প্রদীপ কর’ স্লোগান উঠেছে আগেই। এদিন তাঁর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করার কথা সামিরুল ইসলাম এবং পার্থ ভৌমিকের। টিটাগড়ে মৃত কাকলি সরকারের পরিবারের সঙ্গে এদিন দেখা করার কথা শশী পাঁজা এবং তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। এদিন বিকেল চারটে নাগাদ স্বজনহারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা তাঁদের।
গত ৩ নভেম্বর ডানকুনি পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নজরুলপল্লির বাসিন্দা হাসিনা বেগমের মৃত্যু হয়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় আতঙ্কে ভুগছিলেন ষাটোর্ধ্ব ওই মহিলা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সুদীপ রাহার। SIR ‘আতঙ্কে’ হুগলির শেওড়াফুলিতে মৃত মহিলার পরিবারের সঙ্গে এদিন দেখা করবেন জয়া দত্ত-সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এছাড়া উলুবেড়িয়ার খলিসানির বাসিন্দা তিরিশের যুবক নিহত জাহির মালের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করতে যাবে তৃণমূল প্রতিনিধি দল। অরূপ চক্রবর্তী-সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব স্বজনহারাদের সঙ্গে দেখা করবেন।
বলে রাখা ভালো, বারবার তৃণমূলের তরফে SIR-কে হাতিয়ার করে বাংলায় ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। দিল্লিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাওয়ের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রাণহানি যেন লেগেই রয়েছে বলে দাবি শাসক শিবিরের।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন