Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Team India

শহরে ঢুকেই ইডেন পিচ নিয়ে দাবিদাওয়া শুরু গম্ভীরের! টার্নারে নেমে ভুগবে না তো ভারত?

প্রায় ছ'বছর পর টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে ইডেনে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ০৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ০৯:২২

options
link
শহরে ঢুকেই ইডেন পিচ নিয়ে দাবিদাওয়া শুরু গম্ভীরের! টার্নারে নেমে ভুগবে না তো ভারত? zoom
ফাইল ছবি।

রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়: গৌতম গম্ভীর তাঁর হৃদয়ের শহরে নামলেন রোববার রাত পৌনে এগারোটা নাগাদ। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে। টেস্ট অধিনায়ক শুভমান গিল-জশপ্রীত বুমরাহ সহ জনা চারেককে নিয়ে। সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে। ইডেনে আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট খেলতে। এত রাতে এসে পৌঁছনোয় ভারতীয় কোচের পক্ষে আর ইডেন যাওয়া মোটে সম্ভব হয়নি। হয় সোমবার যাবেন। কিংবা তার পরের দিন। অধুনা ক্রিকেটীয় পরিভাষায়, ‘ম্যাচ ডে মাইনাস থ্রি’-র দিন। তা যে দিনই যান শেষ পর্যন্ত, আন্দাজ করার চেষ্টা করছি, ইডেন বাইশ গজ দেখার পর গুরু গম্ভীরের কী প্রতিক্রিয়া হবে? তিনি তুষ্ট হবেন? নাকি রুষ্ট?

দেখতে গেলে প্রায় ছ’বছর পর টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে ইডেনে। ফিরছে চির-আলোচিত গোলাপি টেস্টের পর (যা ভারতবর্ষের মাটিতে সর্বপ্রথম পিঙ্ক বল টেস্ট ছিল), ফিরছে শীতের নভেম্বরে। যে টেস্ট বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ইডেনে আয়োজন করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ছ’বছর পূর্বের সে টেস্টের পর থেকে ভারতীয় ক্রিকেটে বদলেছে অনেক কিছু। গোলাপি টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইডেন রাঙিয়ে দিয়েছিলেন যিনি, সেই তৎকালীন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি আজ আর সাদা জার্সিতে খেলেন না। টেস্ট থেকে অবসরে চলে গিয়েছেন কিং, বেশ কয়েক মাস হল। জাতীয় কোচের নামও আর রবি শাস্ত্রী নয়। দলের সর্বময় কর্তার নাম বর্তমানে বরং গৌতম গম্ভীর। সৌরভ এখন আবার পুনরায় সিএবি প্রেসিডেন্ট। শুধু গত ছ’বছরে একটা জিনিস বদলায়নি-ইডেন বাইশ গজ নিয়ে নিরন্তর চর্চা। তার সম্ভাব্য মর্জি-খেয়াল নিয়ে অন্তহীন গবেষণা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার সকালের দিকে কাগিসো রাবাডা-সহ দক্ষিণ আফ্রিকা দলের জনা সাত-আট শহরে ঢুকেছেন। অর্থাৎ, পাকিস্তানে সিরিজ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার যাঁরা, রোববার তাঁরা এলেন। টেম্বা বাভুমা-সহ দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ টিমের হয়ে যাঁরা খেলছিলেন বেঙ্গালুরুতে, তাঁরা আসবেন সোমবার সকালে। মুশকিল হল, ক্রিকেটাররা আসার আগেই একখানা খবর ছড়িয়ে পড়েছে। শোনা যাচ্ছে, ইডেন টেস্টে নাকি ঘূর্ণি পিচ চাইছেন গম্ভীররা। অবশ্যই সরকারিভাবে এ সমস্ত দাবিদাওয়া কখনও আসে না। যা আসে, বেসরকারি। এটাও নাকি তেমনই। কিন্তু প্রশ্ন হল, ইডেনের বাইশ গজে কতটা টার্ন আমদানি সম্ভব? কতটা তাকে ঘূর্ণিতে রূপান্তরিত সম্ভব? তা ছাড়া করাটাও বা কতটা উচিত?

অধুনা ইডেন পিচ কেমন, কী তার হালফিল আচার-আচরণ, সবচেয়ে ভালো জানেন স্বয়ং গম্ভীর। ২০২৪ আইপিএল-এ টিম মেন্টর হিসেবে ফিরে কেকেআরকে তৃতীয় আইপিএল ট্রফি দিয়ে গিয়েছেন তিনি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সিএবি প্রশাসনে আসার পর আমূল চরিত্র বদল হয়েছে ইডেন বাইশ গজের। অতীত কালের ঢ্যাবঢ্যাবে, স্লো টার্নার পিচ ইডেনে দেখতে পাওয়া যায় না এখন। বরং ইডেন আজ ভারত-বিখ্যাত তার গতিময়তার জন্য। এ দিন ওয়াকিবহাল মহলের কারও কারও সঙ্গে কথা বলে মনে হল, তাঁরা ভারতীয় দলের দাবিদাওয়া নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশায়। কেউ কেউ বললেন যে, টিমের ইচ্ছানুসারে টার্ন করাতে গেলে পিচ এখন খুলে রেখে দিতে হবে। ঢাকা দিয়ে রাখলে চলবে না। সেটা কী করে সম্ভব? আর তা হচ্ছেও না। এ দিনও ইডেন পিচে কভার দেওয়া ছিল। বলা হল, বড়জোর ঘাস ছেঁটে দেওয়া যেতে পারে। যাতে রাবাডা নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকার বাঘা পেস-আক্রমণকে নির্বিষ করে দেওয়া যায়। কিন্তু বিশাল টার্ন ইডেন থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ছোট-ছোট টার্ন হয় যেমন, হবে তেমন। ওয়াকিবহাল মহল আরও বলছে, টেস্ট ক্রিকেটটা পাঁচ দিনের খেলা। ছ’বছর বাদে শহরে টেস্ট ফিরছে বলে লোকের মধ্যে আগ্রহ-উদ্দীপনা যথেষ্ট রয়েছে। ক্রিকেট দর্শক তো পাঁচ দিন ধরে মাঠে এসে খেলা দেখতে চাইবেন। তিন-সাড়ে তিন দিনে খেলা শেষ হয়ে গেলে, কী লাভ তাতে? তা ছাড়া পিচে বল ঘুরলেই যে ভারত দারুণ খেলবে, তার গ্যারান্টি কোথায়?

যথেষ্ট যুক্তিপূর্ণ প্রশ্ন। ঘরের মাঠে টার্নার করতে গিয়ে পাল্টা প্রত্যাঘাতে ঘায়েল হওয়ার ইতিহাস কিন্তু ভারতীয় টিমের আছে। বেশ সম্প্রতিই রয়েছে। কেন, গত বছর দেশে নিউজিল্যান্ড সিরিজ মনে নেই? যে সিরিজে ০-৩ চুনকাম হয়েছিল ভারত? যে সিরিজের পর থেকে টেস্টে রোহিত-সাম্রাজ্যের পতনের শুরু। একটা পরিসংখ্যান দেখছিলাম যে, সেই সিরিজে নিউজিল্যান্ড স্পিনার আজাজ প্যাটেল তিনটে টেস্ট খেলে নিয়েছিলেন পনেরোখানা উইকেট। মিচেল স্যান্টনার একটা টেস্ট খেলে তেরোটা। প্লেন ফিলিপস তিন টেস্ট আটটা। অর্থাৎ, তিন ব্ল‍্যাক ক্যাপস স্পিনার মিলে (ফিলিপস আবার পার্টটাইম) নিয়েছিলেন ছত্রিশখানা উইকেট! তা, দক্ষিণ আফ্রিকা টিমেও দু’জন আছেন কিন্তু। কেশব মহারাজ ও সেনুরান মুথুস্বামী। এবং স্পিন বোলিংটা তাঁরা মোটেও মন্দ করেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.