রবিবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন শুভমান গিল। মনে করা হচ্ছে, ঘাড়ের চোটের জন্য ইডেন টেস্টে তাঁর না থাকা ভারতের পরাজয়ের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।
২৯
কিন্তু পরের টেস্ট গুয়াহাটিতে কি খেলতে পারবেন ভারত অধিনায়ক? সেটা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা আছে। তবে দলের সঙ্গে গুয়াহাটিতে যাচ্ছেন শুভমান। আর গিল না খেললে সাই সুদর্শন বা দেবদত্ত পাড়িক্কলকে খেলানো হতে পারে। তবে পাল্লা ভারী দেবদত্তের দিকেই।
শনিবার সকালে ব্যাট করার সময় ঘাড়ে চোট পান তিনি। দীর্ঘ সময় ‘নেক কলার’ পরে অপেক্ষা করলেও, অবস্থার বিশেষ উন্নতি না হওয়ায় গিলকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।
৪৯
দ্বিতীয় দিনের শেষে ইডেন থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে উডল্যান্ডস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শুভমান গিলকে। ইডেন টেস্টে আর খেলতে পারেননি তিনি। তবে রবিবার সন্ধ্যায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
৫৯
আরও তিন-চারদিন চিকিৎসার মধ্যেই থাকবেন তিনি। চিকিৎসকরা তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। ঘাড় ঘোরাতে পারবেন না তিনি। এরপর রিহ্যাব শুরু হবে তাঁর।
পরের টেস্ট ২২ নভেম্বর। ইডেন টেস্ট তিনদিনে শেষ হয়ে যাওয়ায় বাড়তি দু’দিন পাওয়া গিয়েছে। জিতলে হয়তো কয়েকজনকে ছুটি দেওয়া হতে পারত। কিন্তু এখন কোনও ছুটি নয়। সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
৭৯
মঙ্গলবার ইডেনেই অনুশীলন করবে ভারতীয় দল। ১৯ নভেম্বর ভারতীয় দলের সঙ্গে গুয়াহাটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে ভারতের অধিনায়ক শুভমান গিলের। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে তিনি খেলতে পারবেন না বলেই ধরা হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন তাঁর শারীরিক অবস্থা কীরকম থাকে, তার উপর গিলের খেলা নির্ভর করছে।
৮৯
রবিবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও গিয়েছিলেন গিলের সঙ্গে দেখা করতে। রবিবার ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট শেষ হওয়ার পর গিলকে দেখতে গিয়েছিলেন সিএবি সভাপতি। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি।
৯৯
জানা গিয়েছে, দু’জনের মধ্যে ১০-১৫ মিনিট কথা হয়। গিলের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা হয় তাঁদের। এর পাশাপাশি ইডেন টেস্ট নিয়েও কথা হয়েছে গিলের সঙ্গে।
একার নিমন্ত্রণ হলে না হয় একরকম। আর যদি নিমন্ত্রণ বাড়িতে দু'টিতে জুটিতে যাওয়ার হয়, তা হলে তো কথায় নেই। পোশাক নিয়ে ভাবনাচিন্তা তখন দ্বিগুণ।
৪১১
বিয়েবাড়ি হলেই সাবেকি সাজগোজ করার কথা ভাবেন অনেকে। এবারের বিয়েবাড়ির ফ্যাশনে না হয় থাক বলিউডি ছোঁয়া। আপনার কাছে থাকা পোশাক পরে বলি তারকাদের মতো সেজে উঠতে পারেন।
৫১১
রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের মতো আভিজাত্যে ভরা সাজগোজ করতে পারেন। দু'জনে রংমিলান্তি পোশাক পরতে পারেন। তবে রঙের শেড যেন হালকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়নাগাটি পরুন। তা যেন খুব ভারী না হয়।
আপনার পছন্দের জুটির তালিকায় নিশ্চয়ই রয়েছেন রণবীর কাপুর এবং আলিয়া ভাট? তাঁদের মতো সাজতে পারেন। ফ্লোরাল প্রিন্টের শাড়ি আপনি পরতে পারেন। সঙ্গীর পোশাকেও থাক ফুলেল ছোঁয়া। তবে তা যেন আপনার শাড়ির তুলনায় হালকা রঙের হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৭১১
সদ্যই বিয়ে হয়েছেন আপনার? তবে অবশ্যই ভিকি-ক্যাটরিনার মতো সাজতে পারেন। বেছে নিন সিকোয়েন্সের লাল শাড়ি। ফুলস্লিভ ব্লাউজ পরতে পারেন। চুল খোলা রাখতে পারেন। মানানসই গয়নাগাটি পরতে ভুলবেন না। সঙ্গে অফ হোয়াইট পাঞ্জাবিতে সাজুক সঙ্গী। আপনাদের জুটির দিক থেকে কেউ নজর ফেরাতে পারবে না।
৮১১
বিয়েবাড়িতে কি শাড়ি পরতে চাইছেন না? অন্য কিছু পরতে চান? উত্তর 'হ্য়াঁ' হলে সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার মতো সাজতে পারেন। ফিশ কাট লেহেঙ্গা পরতে পারেন। সঙ্গীর পরনে থাক স্টাইলিশ জ্যাকেট। চেষ্টা করুন রংমিলান্তি পোশাক পরার।
৯১১
এবারের বিয়েবাড়ির সাজে থাক ফিউশনের ছোঁয়া। হালকা রঙের লেহেঙ্গা পরুন আপনি। আর সঙ্গী পরনে থাক ব্লেজার। শার্ট এবং লেহেঙ্গা রংমিলান্তি হলে দু'জনকে দিব্যি মানাবে।
১০১১
আলমারিতে বেশ কয়েকটা ভারী সালোয়ার রয়েছে? শাহিদ ঘরনি মীরার মতো এবার বিয়েবাড়িতে ওই সালোয়ার পরতে পারেন। সঙ্গীর পরনে থাক এক রঙের পাঞ্জাবি। দু'জনকে মন্দ লাগবে না তা হলফ করে বলা যায়।
১১১১
তাই বিয়েবাড়ি যাওয়ার আগে ভেবেচিন্তে প্রস্তুতি নিন। পোশাক বাছাইয়ের পাশাপাশি ঠিকঠাক ফিটিংস হচ্ছে কিনা, সেদিকেও খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন নইলে সাজটাই মাটি।
২০ পেরিয়ে ২৫-এর পথে নীতীশ, মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে এত দীর্ঘ সময় আর কারা?
বিহারে নীতীশের দশাবতার!
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১৩:১০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১৩:১০
১১০
বিহারে বিপুল জয়ের পর দশমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসবেন জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার। হিসেব অনুযায়ী, ১৯ বছর এই পদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আরও ৫ বছরের জন্য এই পদ নীতীশের জন্য কার্যত পাকা। তবে নীতীশ একা নন, দীর্ঘ মেয়াদী মুখ্যমন্ত্রী তালিকায় দেশে নীতীশের আগে রয়েছেন আরও একাধিক মুখ্যমন্ত্রী। দেখে নেওয়া যাক সেই তালিকা।
২১০
পবনকুমার চামলিং, সিকিম (২৪ বছর): দেশের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার রেকর্ড এখনও পর্যন্ত পবনলুমার চামলিংয়ের ঝুলিতে। প্রায় ২৫ বছর সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পদ সামলেছেন তিনি। সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট দলের প্রতিষ্ঠা পবন। তাঁর নেতৃত্বে এই দল টানা ৫ বার নির্বাচনে জয়ী হয়।
নবীন পট্টনায়েক, ওড়িশা (২৪ বছর): ২০০০ সালে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নবীন পট্টনায়েক। এরপর ২ দশক ধরে ওড়িশা রাজনীতির একমাত্র অধীশ্বর ছিলেন তিনি। তবে ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে হারে তাঁর বিজু জনতা দল। অল্পের জন্য নবীনের হাতছাড়া হয় দেশের দীর্ঘকালীন মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার রেকর্ড।
৪১০
জ্যোতি বসু, পশ্চিমবঙ্গ (২৩ বছর): দেশের সম্মানিত রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে অন্যতম জ্যোতি বসু। তাঁর হাত ধরেই পশ্চিমবঙ্গে বাম শাসনের সূত্রপাত। দুই দশকের বেশি সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা প্রশংসনীয়। এক সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব পেয়েও দলের আপত্তিতে সে সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।
৫১০
গেগং আপাং, অরুণাচল প্রদেশ (২২ বছর): অরুণাচলের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, গেগং আপাং দুই মেয়াদে প্রায় ২৩ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাঁর প্রথম মেয়াদ এবং ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি।
লাল থানহাওলা, মিজোরাম (২২ বছর): লাল থানহাওলা মিজোরামের এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ। একাধিক মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মোট ৩টি মেয়াদে ২২ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন লাল। মিজোরামের যোগাযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁর কৃতিত্ব অনেকখানি।
৭১০
বীরভদ্র সিং, হিমাচল প্রদেশ (২১ বছর): কংগ্রেসের একজন প্রবীণ নেতা বীরভদ্র সিং হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ৪ বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি।
৮১০
মানিক সরকার, ত্রিপুরা (১৯ বছর): পশ্চিমবঙ্গের পর সিপিএমের দীর্ঘমেয়াদী মুখ্যমন্ত্রীর থাকার কৃতিত্ব ত্রিপুরার মানিক সরকারের। ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর পর গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ফিকে হয়ে যায় ত্রিপুরার বাম সরকার।
৯১০
নীতীশ কুমার, বিহার (১৯ বছর): বিহারের দীর্ঘ সময় ধরে মুখ্যমন্ত্রী থাকার কৃতিত্ব নীতীশ কুমারের ঝুলিতে। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে একাধিক মেয়াদে এই পদে রয়েছেন। কখনও আরজেডি তো কখনও বিজেপির সঙ্গে জোট করে ৯ বার মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। ২০২৫-এর নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করে ফের ক্ষমতায় এসেছেন তিনি। এই মেয়াদ পূর্ণ করলে দীর্ঘমেয়াদী মুখ্যমন্ত্রীর রেকর্ড যাবে তাঁর ঝুলিতে।
১০১০
এম করুণানিধি, তামিলনাড়ু (১৮ বছর): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন এম করুণানিধি। তামিল রাজনীতিতে তিনি এক অবিস্মরণীয় নাম।