Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Pakistan

‘কথা না মানলে আফগানিস্তানে ক্ষমতা বদল হবে’, তালিবানকে হুমকি পাকিস্তানের

তালিবানের সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি পাকিস্তানের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:১৮

options
link
‘কথা না মানলে আফগানিস্তানে ক্ষমতা বদল হবে’, তালিবানকে হুমকি পাকিস্তানের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধে আফগানিস্তানের কাছে চড় খেয়ে এবার তালিবানের সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি পাকিস্তানের! সম্প্রতি ইসলামাবাদের তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, যদি আফগানিস্তান সমঝোতার রাস্তায় না হাঁটে, এবং পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাব না মানে তাহলে সেখানকার সরকার বদলে দেওয়া হবে। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কাবুলে সরকারবিরোধী গোষ্ঠীকে পূর্ণ সমর্থন দেবে পাকিস্তান।

সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তান-পাকিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী তুরস্কের আধিকারিকদের তরফে ইসলামাবাদ এই হুমকি দিয়েছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের তরফে আফগানিস্তানকে বার্তা দেওয়া হয়েছিল তালিবান যেন তেহরিক-ই-তালিবানকে (টিটিপি) নিজের দেশের মাটি ব্যবহার করতে না দেয়। অন্যদিকে আফগানিস্তানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, টিটিপির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই। আফগানিস্তানের নিজের দেশের মাটি কখনই সন্ত্রাসবাদীদের ব্যবহার করতে দেয় না। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও রকম লিখিত সমঝোতায় আসেনি দুই দেশ। এই ডামাডোলের মাঝেই এবার আফগানিস্তানে তালিবান সরকারকে উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা যাচ্ছে, সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে পাক গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন আফগানিস্তানি প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই, আশরাফ গনি এবং আহমেদ মাসুদও। এইসব নেতাদের পাশাপাশি আবার আফগানিস্তানের ফ্রিডম ফ্রন্ট এবং নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের আব্দুল রশিদ দোস্তমের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে আইএসআই। এইসব নেতাদের পাকিস্তানে আশ্রয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। যার উদ্দেশ্য পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানের বিদ্রোহীদের উসকানি দেওয়া ও তালিবানের সরকার ফেলে দেওয়া।

উল্লেখ্য, সংঘর্ষবিরতির লক্ষ্যে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে তিনবার বৈঠক হয়েছে। তবে, সে বৈঠক থেকে কোনও সুরাহা বের হয়নি। ইসলামাবাদের দাবি, তালিবানরা টিটিপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিক এবং এই সংগঠনের সদস্যদের তাদের হাতে তুলে দিক। একইসঙ্গে ডুরান্ড লাইন বরাবর একটি বাফার জোন তৈরি করা হোক। তবে টিটিপিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবিও খারিজ করেছে আফগানিস্তান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.